
এম মনিরুল ইসলাম: সাতক্ষীরা শ্যামনগর প্রতিনিধি
বাংলাদেশ ছাত্র বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন দেশের চিত্র পাল্টে দিয়েছে। ট্রাফিক ছাড়াই দায়িত্ব পালন করে চলেছেন ছাত্রসমাজ। গণভবন,সংসদ ভবন পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতায় অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তারই ধারাবাহিকতায় প্রায় 18 বছর অবহেলিত কলেজটি সংস্কার অত্যন্ত প্রয়োজন। পরিদর্শনপূর্বক জানা যায়,বিগত দিনে জোট সরকারের আমলে সমাজের শিক্ষানুরাগী বিত্তবান ও সমাজসেবীদের সহযোগিতায় উক্ত কলেজটি প্রাথমিকভাবে শুভ সূচনা হয়। চলতে চলতে অসহায় অবস্থা হয়ে পড়ে শিক্ষক কর্মচারীরা।না পাই বেতন। না মেলে সরকারি বেসরকারি কোন সহযোগিতা। তৎকালীন ভূমিদাতা ও সহযোগী মরহুম আলহাজ্ব সোহরাব উদ্দিন। সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম লিয়াকত আলী গাজী সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ নানাভাবে সহযোগিতা করে কলেজ টি স্থাপন করেছিলেন। প্রায় এক যুগ পরে কলেজ টি এমপিওভুক্ত হয়েছে কিন্তু কলেজের ভবন গুলো এতটাই দুর্বল যে,যেকোন মুহূর্তে ধসে পড়তে পারে। ছাত্র-ছাত্রীদের প্রাণের আশঙ্কা রয়েছে। এমন পরিবেশে নিয়মিত পাঠ দান চলমান থাকলে, যে কোন মুহূর্তে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। কর্তৃপক্ষের সদয় দৃষ্টি আকর্ষণের নিমিত্তে অভিভাবক মহল, এলাকাবাসী ও সুধীসমাজ উক্ত কলেজটি সংস্করণে নতুন উপযুক্ত ভবন নির্মাণ করণে, বিনীতভাবে দাবি জানিয়েছেন। উল্লেখ্য, কলেজটির রেজাল্ট অত্যন্ত ভালো। কলেজের একটি বড় মাঠ রয়েছে। নতুন ভবন নির্মাণের সাথে মাঠে বলুভরাট করা হলে, বিপথগামী কিশোরের সংখ্যা কমে যাবে। খেলা প্রেমীরা কলেজ পড়ুয়া স্কুলপড়ুয়া ছেলেরা,সাধারণ জনতা,খেলাধুলা বিনোদনের মাধ্যমে সুস্থ থাকতে পারবেন। এলাকাবাসী ও অভিভাবক আব্দুল জলিল বলেন, কলেজের এমতাবস্থায় ছেলেরা কলেজে গেলে আমরা ভয়ে থাকি। বাড়িতে না ফেরা পর্যন্ত।