স্টাফ রিপোর্টার জামাল উদ্দীন সাতক্ষীরা
খুলনা পশ্চিম বন বিভাগের আওতাধীন সাতক্ষীরা রেঞ্জ। শ্যামনগর বুড়িগোয়ালিনী প্রধান রেঞ্জ কার্যালয়, নদী ভাঙ্গনে বিলীন হতে চলেছে। সরেজমিন পরিদর্শনপূর্বক প্রকাশ , খুলনা বিভাগের অধীনে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী নদী সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত প্রধান কার্যালয়। ভাঙ্গন প্রবল আকার ধারণ করায় প্রধান ভবনটি নদীর চরে এসে দাঁড়িয়েছে। দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে নদী গর্ভে হারিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। জানা যায়,প্রায় ২০ বছর পূর্বে বন আইনের প্রস্তাবিত বাজেট অধিবেশন পাশ হয়। ভবনটির কার্যক্রম শুরু হয়।প্রায় এক বছর চলমান কাজের পর রেঞ্জ কার্যালয় সম্পন্ন হয়। কবির ভাষায়, নদীর এপার ভাঙ্গে, ওপার গড়ে,এইতো নদীর খেলা। সেটি এই চিত্রে বিদ্যমান হতে চলেছে ।প্রায় একশ ফুট নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে।আজ নদী ভাঙ্গন ভবনটির, রেঞ্জ কার্যালয়ের সম্মুখে অবস্থান নিয়েছে। অতি দ্রুত ভাঙ্গন রোধ করার জন্য জরুরি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন। নতুবা যেকোনো মুহূর্তে ভবনটি পুরোপুরি ভাবে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে,করা হচ্ছে। বন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বৃন্দের সুদৃষ্টি কামনার নিমিত্তে, সাতক্ষীরা রেঞ্জের প্রধান কার্যালয়ের ভাঙ্গন কবলিত, চিত্রটি তুলে ধরা হলো। কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত প্রধান কার্যালয় টি আজ অসহায়ত্ব প্রকাশ করছে। অবিলম্বে ভাঙ্গন রোধকল্পে অত্যন্ত কঠোর পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন বলে সুধীজন মনে করেন। ছাত্র বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের ফলশ্রুতিতে দেশের চিত্র পাল্টে গিয়েছ এ মর্মে উক্ত কার্যালয়টি নদীগর্ভে হারিয়ে গেলে, দেশের সম্পদ তথা সরকারের অর্থনৈতিক খাত ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এলাকাবাসী তথা সুফল ভোগ কারীগনের আবেদন, সাতক্ষীরা রেঞ্জ প্রধান কার্যালয় থেকে, লক্ষাধিক জেলে বাওয়ালি সহ স্থানীয় জনতা, সুবিধা ভোগ করে থাকে। ভবনটি রক্ষা করতে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানানো হয়েছে। বিশেষ ভাবে অতি দ্রুত কঠোর পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন। সমাজের সচেতন নাগরিক হিসেবে,আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখা। ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচানো। বন বিভাগের উদ্ধতন কর্মকর্তা সি এফ, মন্ত্রণালয়ের সম্মানিত কর্মকর্তা বৃন্দের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। মহোদয়ের নিকট বিনীতভাবে আবেদন জানানো যাচ্ছে। সুধী ব্যক্তিবর্গের দাবি, প্রধান রেঞ্জ কার্যালয় টি রক্ষা করতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ অত্যন্ত, জরুরি। ভীষণ জরুরী। অন্যথায়, হাজারো জেলে বাওয়ালি, সাধারণ জনতা হয়রানি, ভোগান্তির শিকার হবে।সরকারের অর্থনৈতিক খাত ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।