এম মনিরুল ইসলাম, সাতক্ষীরা শ্যামনগর প্রতিনিধি:
সাতক্ষীরার সুন্দরবন অঞ্চলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে চরম দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। অনুসন্ধান পূর্বক প্রকাশ পশ্চিম খুলনার সাতক্ষীরা জেলা নানা রকম দুর্যোগে বিপর্যস্ত। বিরূপ আবহাওয়ার দরুন বাচ্চারা স্বাভাবিকভাবে স্কুলে যেতে পারে না। শ্যামনগর উপজেলার দ্বীপ ইউনিয়ন খ্যাত ১২২ নম্বর খোলপেটুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক দেলোয়ার হোসেন লিটনের বিরুদ্ধে একাধিক অর্থ আত্মসাৎ এর প্রমাণ পাওয়া গেছে।যে কারণবশত বিভাগীয় মামলা রেকর্ড হয়েছে। সম্প্রতি উপজেলা শিক্ষক তদন্ত কর্মকর্তা, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, অভিভাবক ও গণমাধ্যম কর্মীর সমন্বয়ে উক্ত তদন্ত কার্যক্রম মত বিনিময় ও তথ্য প্রমাণের উপর ভিত্তি করে অনুষ্ঠিত হয়।উপস্থিত ছিলেন সুধী ব্যক্তিবর্গ অভিভাবক ও সকল শ্রেণী পেশার মানুষ। বিগত দিনের স্বৈরাচার সরকার শাসনামলে দুর্নীতিবাজ সহকারী শিক্ষক প্রধান শিক্ষক পরিচয় দানকারী প্রতারক দেলোয়ার হোসেন লিটন ওপর মহলকে টাকার মাধ্যমে ম্যানেজ করে বাড়িতে ঘুমিয়ে সরকারি বেতন নিয়েছেন কয়েক বছর তার বিরুদ্ধে কথা বলা অথবা অভিযোগ করার সুযোগ দিতেন না তিনি স্বৈরাচার সরকার পতনের পর সকল সত্য ঘটনা সামনে আসতে চলেছে ফলস্রুতিতে এই সরকারি শিক্ষকের একাধিক দুর্নীতি প্রমাণিত হয়েছে উক্ত তদন্ত কার্যক্রমের বাদী মাসুম বিল্লাহ সহকারী শিক্ষক হওয়া সত্ত্বেও নিজেকে প্রধান শিক্ষক পরিচয় দিয়ে অসংখ্য দুর্নীতি করে এসেছেন। এমনই তথ্য এই প্রতিনিধিকে জানান, আরো বলেন, তিনি মাসে মাত্র কয়েক দিন স্কুলে আসেন বাকি দিনগুলো অবসরে আরাম-আয়েশে কাটান সরকারি শিক্ষক হয়েও জেলে বাওয়ালিদের জেলেকার্ড করার বাহানায় এলাকার অনেকের নিকট থেকে টাকা আত্মসাৎ করেছেন। তিনি নিষ্পাপ বাচ্চারা যারা,আগামী দিনের ভবিষ্যৎ দেশের সম্পদ।সরকারের দেয়া উপবৃত্তির টাকা কৌশলে আত্মসাৎ করেছেন। ম্যানেজিং কমিটির তোয়াক্কা না করে ওপরের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে তিনি নানান অপকর্ম চালু রেখেছেন।এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত দুর্নীতির চূড়ান্ত ফলাফল পাওয়া যায়নি। ধারাবাহিকভাবে শিক্ষক দেলোয়ার হোসেন লিটনের সকল অপকর্ম ফাশ করা হবে। চলবে।
।। তদন্তকারী কর্মকর্তা সহ সুধি ব্যক্তিবর্গ ও এলাকাবাসী।।