
বেবি চক্রবর্ত্তী :- ছোটবেলা থেকেই লেখার একটা অদম্য আগ্রহ ছিলো । আর তার ফলস্বরূপ স্কুলের ম্যাগাজিনে প্রথম লেখা বেরোয় "জিলিপিরানী"নামক কবিতা টি। তার পর সংসার এর চাপে চাপা পড়া ইচ্ছে টা জেগে ২০২২ সালে একটি সাহিত্য পত্রিকায় "ঘ্রান" বলে একটি গল্প প্রকাশ পাওয়ার পর। আর সেই লক্ষ্য ধরে আজ এই তৃতীয় সংকলন এর স্বপ্ন পূরণ । বর্তমানে বিশ্ব দর্পণ সাহিত্য পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও বিশ্ব দর্পণ সাহিত্য পত্রিকা প্রকাশনীর প্রকাশকের এর ভূমিকা পালন করছি।আমার প্রথম কাব্য সংকলন হলো শ্যামাঞ্জলী। লিমেরিক ও পরমাণু গল্পের সংমিশ্রণে প্রকাশিত হয়েছে।আমার দ্বিতীয় সংকলন "অর্ধাঙ্গিনী"।এই সংকলন ৯০টি বত্রিশা কবিতা ও ৪০ টি অনন্য কবিতার সংমিশ্রণে প্রকাশ পেয়েছে।আমার এই তৃতীয় কাব্য সংকলন শত পঞ্চশর সমগ্ৰ একশত নির্বাচিত পঞ্চবান কবিতার সমন্বয়। এই আন্তর্জাতিক পঞ্চবান কবিতার স্রষ্টা কবি সাহিত্যিক, সংগঠক ও পরমাণু গল্পের উদ্ভাবক সুশান্ত ঘোষ মহাশয়। অসময়ে বসে থাকার সময়ে অবচেতন মনের কথা এই সংকলনে পঞ্চবান কবিতা হয়ে ধরা দিয়েছে। আমার এই কলমে চেষ্টা করেছি প্রকৃতি, প্রতিবাদ, প্রেম ও বিশ্বাস ও বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটের নানা দিক কে পঞ্চবান কবিতায়
তুলে আনতে।
পঞ্চবান কবিতা পাঁচ শব্দ ও পাঁচ লাইনে গদ্য ও অন্তমিল এই দুই ভাবেই রচিত হয়। পঞ্চবান কবিতা সর্বদা পাঁচটি লাইনের হবে । কোন অবস্থাতেই পাঁচ লাইনের বেশি বা কম হবে না। পঞ্চবান কবিতার প্রতি লাইনে পাঁচটি শব্দ ব্যবহার করতে হবে। কোন অবস্থাতে কম বা বেশি নয়। পঞ্চবান কবিতা গদ্যে বা পদ্যে, মাত্রা বা ছন্দে লেখা যেতে পারে। পঞ্চবান কবিতা একটি পূর্ণাঙ্গ কবিতা স্বভাবতই পঞ্চবান কবিতায় সবসময় একটি সঠিক বার্তা থাকবে। পঞ্চবান কবিতায় একটি সঠিক নামকরণের ব্যবস্থা করতে হবে।
আশা করি আপনাদের সবার ভালো লাগবে এই পঞ্চবান কবিতার গ্ৰন্থ। আপনাদের আশীর্বাদ আমার উপর বর্ষিত হোক এই আশা রাখি। এই তৃতীয় কাব্য সংকলন এর হাত ধরে সাহিত্য জগতে প্রবেশপথ আরো সুগম হোক এই আশা করি।