সুমন চন্দ্র দে, কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি:
কক্সবাজারের দ্বীপ উপজেলা মহেশখালীতে আসন্ন শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উৎসব-২০২৬ সুন্দর, সুশৃঙ্খল ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে উদযাপনের লক্ষ্যে শ্রী শ্রী জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ- মহেশখালী উপজেলার প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৫ আগস্ট (শনিবার) বিকেল ৩টায় গোরকঘাটা বাজারস্থ মা করুণাময়ী কালী মন্দির প্রাঙ্গণে মহেশখালী উপজেলা শাখার উদ্যোগে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশ নেন।
শ্রী শ্রী জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ মহেশখালী উপজেলা শাখার সভাপতি আশিষ চন্দ্র দে’র সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক রাজু দে’র সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন হিন্দু কল্যাণ ট্রাস্টের সম্মানিত ট্রাস্টি পরিমল কান্তি শীল।
উক্ত প্রস্তুতি সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন, শ্রী শ্রী জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ- মহেশখালী উপজেলা'র প্রধান উপদেষ্টা দিলিপ দাশ (শিক্ষক), উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ পুজা উদযাপন পরিষদ-মহেশখালী সাবেক সভাপতি ব্রজ গোপাল ঘোষ, অধীর চন্দ্র দে (সাবেক প্রা: শি: অ:) কমল কৃষ্ণ ঘোষ (অব: স্বাস্থ্য সহ:), সুব্রত দত্ত, তপন দে(শিক্ষক), শম্ভু দে (শিক্ষক)। এছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন- সনজিত দাশ, সুমন চন্দ্র দে (গণমাধ্যম কর্মী) রাজীব দে, নিকাশ দে, সোহেল দে, নিপ্পন পাল, শিপন ঘোষ, নিখিল দে সহ অদ্বৈত- অচ্যুত মিশন- (আদিনাথ ঠাকুরতলা শাখা, পৌরসভাস্থ দক্ষিণ হিন্দু পাড়া শাখা, বলরাম পাড়া শাখা, বিজরম সরদার পাড়া শাখা, হোয়ানক শাখা), নবজাগরণ ক্লাব জলদাস পাড়া শাখা, পৌরসভাস্থ পালপাড়া লোকনাথ কিশোর সংঘ, আদিনাথ নামহট্ট সংঘ ইসকন ও মহেশখালী ডিগ্রী কলেজ এর সদস্য ও প্রতিনিধি বৃন্দ।
সভায় অর্থ সম্পাদক রামজয় দে ২০২৫ সালের আয়-ব্যয়ের হিসাব উপস্থাপন করেন। পরে শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা পাঠ এবং সভাপতির স্বাগত বক্তব্যের মধ্য দিয়ে আগামী ৪ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) শুভ জন্মাষ্টমী উদযাপনকে কেন্দ্র করে বিস্তারিত আলোচনা শুরু হয়।
সভায় বক্তারা বলেন, প্রতি বছরের মতো এবারও মহেশখালীতে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উৎসব শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালন করা হবে। এ লক্ষ্যে সনাতনী সম্প্রদায়ের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়।
প্রস্তুতি সভায় জন্মাষ্টমী উৎসব উপলক্ষে নিরাপত্তা জোরদার, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা আয়োজন, কেন্দ্রীয় নির্দেশনা যথাযথভাবে পালন এবং ধর্মীয় রীতি-নীতি মেনে উৎসব উদযাপনসহ বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ও আলোচনা হয়।