সুমন চন্দ্র দে,মহেশখালী (কক্সবাজার) প্রতিনিধি:
মহেশখালী উপজেলার ছোট মহেশখালী ইউনিয়নের ইউপি সদস্য সুজন কান্তি দে এর বিরুদ্ধে স্যোশাল মিডিয়ায় অপ্রচারের বিরুদ্ধে আদিনাথ ঠাকুরতলা এলাকার জনসাধারণ খুবই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
৩০ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) সন্ধ্যায় সরজমিনে গিয়ে জানা যায়, মহেশখালী উপজেলার ছোট মহেশখালী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যদের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ মেম্বার সুজন কান্তি দে। পেশায় একজন ব্যাটারি চালিত টমটম চালক। একজন জনপ্রতিনিধি হয়েও পরিবারের চাহিদা মেটাতে টমটম চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন।
সুজন মেম্বার বলেন, ২০২২ সালের ছোট মহেশখালী ইউপি নির্বাচনে আদিনাথ ঠাকুরতলার জনসাধারণের ভোট প্রয়োগের মাধ্যমে আমি বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছি। আমি কখনো জনগণের উর্ধ্বে না। সাম্প্রতিক স্যোশাল মিডিয়ায় আমার নামে যে অপ্রচার চালাচ্ছে তা নিন্দনীয়। আমি কোন অপরাধ চক্র এবং মাদক কারবারিতে জড়িত নই, এমনকি কখনো ছিলাম না। আমি বয়সে ছোট বিধায় আমার ৯নং ওয়ার্ডের সবাই আদর করে। সমাজের উন্নয়নে ছোট - বড় সবাইকে নিয়ে একসাথে উন্নয়ন কাজ করি। জনপ্রতিনিধি হিসেবে সেবার বিনিময়ে কখনো টাকা বা অন্য কিছু নিয়নি। সুজন মেম্বার আরো বলেন, আমি কখনো কোন অপরাধ করে থাকলে আদিনাথ ঠাকুরতা সমাজ তথা মহেশখালী বাসী যে শাস্তি দিবে আমি মাথা পেতে নেব। তিনি সাংবাদিক সমাজের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে বলেন, আমি কখনো কাউকে অন্যায় করিনি। আমার বিরুদ্ধে স্যোশাল মিডিয়ায় অপ্রচারের প্রতিহত করবেন।
আদিনাথ ঠাকুরতলা বাসিন্দা মন্টু দে বলেন, সুজন মেম্বার অনেক ভালো মানুষ, তিনি আদিনাথ ঠাকুরতলা গ্রামের সবাইকে একতাবদ্ধ করে শান্তি শৃঙ্খল ভাবে সেবা দিয়ে যাচ্ছে। এই ঠাকুরতলা'র একতা নষ্ট করতে এই অপপ্রচার চালাচ্ছে। তার বিরুদ্ধে স্যোশাল মিডিয়ায় অপ্রচারের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। সুজন মেম্বারের মতো ইউপি সদস্য আর কোথাও পাওয়া যাবে না।
আদিনাথ ঠাকুরতলা জলদাশ পাড়া'র বাসিন্দারা বলেন, সুজন মেম্বার না হলে আমাদের অনেক রোগী বাঁচাতে পারতাম না। তিনি অত্যন্ত ভালো মানুষ। বয়সে কম হলেও উনি এলাকার উন্নয়ন করেছেন। আমরা জলদাশ পাড়া'র বাসিন্দারা সুজন মেম্বারের বিরুদ্ধে স্যোশাল মিডিয়ায় অপ্রচারে বিরোধীতা করেন। তারা আরো বলেন, সুজন মেম্বারের বিরুদ্ধে অবৈধ মাদক বিক্রেতা হিসেবে বলাটা সম্পূর্ণ ভূল ব্যাখ্যা। তিনি মহেশখালীর জন্য মডেল।
আদিনাথ ঠাকুরতলা সমাজ কমিটির নেতা কালু সওদাগর বলেন, সুজন মেম্বার একজন ভালো ছেলে। মেম্বার হয়েও পরিবারের জীবিকার তাগিদে টমটম চালাচ্ছে। তাই বলে স্যোশাল মিডিয়ায় এইরকম মিথ্যা অপবাদ দেওয়া ঠিক নয়। তাকে ছোট কাল থেকে চিনি ও জানি। যারা সুজন মেম্বারের বিরুদ্ধে অপবাদ দিচ্ছে, তারা সমাজের শত্রু, দেশের শত্রু।
আদিনাথ ঠাকুরতলা মাছ বাজারে আগত সকল জনসাধারণ সুজন মেম্বারের বিরুদ্ধে স্যোশাল মিডিয়ায় অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হতে অনুরোধ জানান। মহেশখালী উপজেলা প্রশাসনের সুদৃষ্টি ও অপপ্রচারকারীদের শাস্তির দাবি জানান