
সুমন চন্দ্র দে, কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি:
বিশ্বশান্তি, মানবকল্যাণ ও ধর্মীয় সম্প্রীতি কামনায় আসন্ন জগদ্ধাত্রী পূজা উপলক্ষে মহেশখালীতে আগামী ১৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে চণ্ডীযজ্ঞ। এ উপলক্ষে যজ্ঞের সার্বিক প্রস্তুতি ও সুষ্ঠু আয়োজন নিশ্চিত করতে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
৩০ অক্টোবর (শুক্রবার) দুপুরে মহেশখালী পৌরসভার গোরকঘাটা শ্রীশ্রী হরিমন্দির প্রাঙ্গণে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান দিকনির্দেশনামূলক আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তুলসীধাম পরিচালনা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ঋষিপুত্র স্থপতি প্রণত মিত্র চৌধুরী, অদ্বৈত-অচ্যুত ডক্টরস ফোরামের প্রধান সমন্বয়ক ডা. মনোজ চৌধুরী, জহরলাল দত্ত, রুপন কুমার দে, বাঁশীরাম দে ও অ্যাডভোকেট সুজন কান্তি দে।
এ ছাড়া সভায় স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বী, মিশনের নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন পর্যায়ের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে সজল ধর, জনি ধর, গোবিন্দ প্রসাদ দাশ (কক্সবাজার), সন্তোষ কুমার দে, তপন কান্তি দে (শিক্ষক), দিলীপ দাশ (শিক্ষক), প্রণব দে ঈদুল (সাবেক কাউন্সিলর), রাজু মোহন দে, রুপন দে (গোরকঘাটা), আশীষ চন্দ্র দে, রামজয় দে, রতন কান্তি দে (সাবেক কাউন্সিলর), কানু রাম দে, তাপস দে, নিপেন্দ্র দে, ডা. বিষু রাম দে, রুপন দে (চরপাড়া), শম্ভু চরণ দে (শিক্ষক), কমল কৃষ্ণ ঘোষ, মন্টু দে, প্রদীপ দে, কাজল দে, রাজীব দে, শৈবাল দে, সোনারাম দে এবং রুবেল দে মেন্টনসহ স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বী ও মিশনের নেতৃবৃন্দ।
সভায় আসন্ন চণ্ডীযজ্ঞের সার্বিক প্রস্তুতি, অনুষ্ঠান পরিচালনা, দায়িত্ব বণ্টন এবং শৃঙ্খলাপূর্ণ আয়োজন নিশ্চিত করতে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ সময় বক্তারা বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা, মানবকল্যাণ ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে এ ধরনের ধর্মীয় আয়োজনের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
সভায় উপস্থিত ব্যক্তিরা গুরু মহারাজের কৃপা কামনা করে বলেন, সবার আন্তরিক সহযোগিতা, ঐক্য ও নিষ্ঠার মাধ্যমে আসন্ন চণ্ডীযজ্ঞ সফল ও সার্থক হবে। একই সঙ্গে এ আয়োজন বিশ্বশান্তি ও মানবকল্যাণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে তাঁরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
উল্লেখ্য, অদ্বৈত-অচ্যুত মিশন, গোরকঘাটা হিন্দুপাড়া শাখার উদ্যোগে এবং অদ্বৈত-অচ্যুত মিশন, মহেশখালী উপজেলা শাখার সার্বিক সহযোগিতায় এ প্রস্তুতি সভার আয়োজন করা হয়।