
আফাজ উদ্দিন
জেলা প্রতিনিধি।
ভারতের বিজেপি নেতা নিতেশ রানে এবং রামগির মহারাজ কর্তৃক মুসলমানদের হত্যার হুমকি ও মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সা.) কে কটুক্তির প্রতিবাদে ১১নং মধ্য জাফলংয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (০৮/১০/২৪ইং) আসর নামাজের পর সিলেটের ১১ নং মধ্য জাফলংয়ের সর্বস্তরের তাওহীদি জনতার আয়োজনে ভারতের বিজেপি নেতা নিতেশ রানে এবং রামগির মহারাজ কর্তৃক মুসলমানদের হত্যার হুমকি ও মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সা.) কে কটুক্তির প্রতিবাদে রাধানগর বাজারে মাওলানা জিয়াউল রহমান কাওসারের সঞ্চলনায় ও পরগনা মুরুব্বি মাওলানা জালাল উদ্দীন সাহেবের সভাপতিত্বে এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিক্ষোভ মিছিল টি আসরের নামাজের পর রাধানগর মাদ্রাসার সামনে থেকে রাধানগর বাজারের মেইন রোড সহ পার্শবর্তি সকল রাস্তা প্রদক্ষিণ শেষে রাধানগর সিএনজি স্টেশনে এসে মিলিত হয়।।
উক্ত প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন,,
গোলজারুল উলুম রাধানগর মাদ্রাসার শিক্ষক
মাওলানা ইব্রাহিম মোস্তফা,রাধানগর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা ফখরুল ইসলাম আগবরি সাহেব,রাধানগর মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা বাহার উদ্দিন সাহেব, ১১ নং মধ্য জাফলং ইউনিয়নের বিএনপির সিনিয়র সভাপতি হাজী সিরাজ উদ্দিন।
১১ নং মধ্য জাফলং ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোঃ সাইদুর রহমান,রাধানগর হিলফুল ফুজুল যুব সংঘের সভাপতি সুহেল আহমেদ,রাধানগর হিলফুল ফুজুল যুব সংঘের সদস্য আব্দুর রহমান সহ আরো অনেকেই।
বক্তারা বলেন, পৃথিবীর কোনো ধর্মই অন্য ধর্মকে কটুক্তি করার শিক্ষা দেয়না। মানবতার শ্রেষ্ঠ মহামানব মোহাম্মদ (সাঃ) কে অপমান করার মধ্যে দিয়ে মানবতাবাদী আদর্শকে অপমান করা হয়েছে। প্রকৃত মুমিনরা কখনও উগ্রবাদকে ছাড় দেয় না। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত আইনের আওতায় নিয়ে আসার জন্য ভারতের সরকারের প্রতি জোর আহ্বান জানান তারা,
বক্তারা আরো বলেন, আখেরী নবী হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমাদের প্রাণের থেকেও অধিক প্রিয়। উনার পবিত্র শানে বিন্দু থেকে বিন্দুতম বেয়াদবী আমরা মেনে নিবো না।
সমাবেশে বক্তাগণ বর্তমান সরকারের কাছে দাবি জানিয়ে বলেন, ভারতের বিরুদ্ধে দ্রুত রাষ্ট্রীয় ভাবে শক্ত প্রতিবাদ জানাতে হবে। ভারত সরকারকে চাপ দিতে হবে যেন কুলাঙ্গার রামগিরিকে দ্রুত গ্রেফতার করে শাস্তির ব্যবস্থা করে। ভারত সরকার যদি দ্রুত পদক্ষেপ না নেয়, তবে তার সাথে সকল প্রকার সম্পর্ক ছিন্ন করতে হবে। যে রাষ্ট্র হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র শানে মানহানীকারীকে প্রশ্রয় দেয়, তার সাথে আমাদের কোন সম্পর্ক থাকতে পারে না।
হিন্দু হলেই ভারতের অপকর্মের সাফাই গাইতে হবে, এমন কোন কথা তাদের ধর্মীয় গ্রন্থে নেই। ভারত বাংলাদেশের জাতীয় শত্রু। তারা কোন অন্যায় করলে হিন্দুদেরকেও এর প্রতিবাদ করতে হবে।
সমাবেশে বক্তারা আরো বলেন, হিন্দুরা যে দেশদ্রোহী নয় তা প্রমাণের জন্য যারা অখন্ড ভারতের কথা বলে তাদেরকে ধরিয়ে দেয়াটা হিন্দুদেরই দায়িত্ব অবশেষে রাধানগর মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা ছমির উদ্দিনের দোয়ার মাধ্যমে সভাপতির নির্দেশ ক্রমে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।