সুমন চন্দ্র দে, মহেশখালী (কক্সবাজার) প্রতিনিধি:
বড় মহেশখালী ইউনিয়নের নতুন বাজার মাঠে বিএনপি সরকার গঠন করলেই প্রথম বছরেই শুরু হবে মহেশখালী-কক্সবাজার সেতুর কাজ শুরু করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন সাবেক মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
বড় মহেশখালী ইউনিয়নের নতুন বাজার মাঠে কক্সবাজার-২ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী আলহাজ্ব আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ এর সমর্থনে আয়োজিত বিএনপির এক বিশাল জনসভায় তিনি এ কথা বলেন।
মহেশখালী ও কুতুবদিয়া উপজেলাকে কেন্দ্র করে তাঁর উন্নয়নের মহাপরিকল্পনা বা ‘ভিশন’ তুলে ধরেন।
৭ ফেব্রুয়ারী (শনিবার) বিকাল ৩টা শুরু হয়ে রাত ৮ টা পর্যন্ত চলে। জনসভায় সভাপতিত্ব করেন আবু বক্কর ছিদ্দীক আহ্বায়ক, মহেশখালী উপজেলা বিএনপি, সঞ্চালনায় করেন আমিনুল হক চৌধুরী সদস্য সচিব, মহেশখালী উপজেলা বিএনপি।
জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সালাহউদ্দিন আহমদ, সদস্য, জাতীয় স্থায়ী কমিটি (বিএনপি), প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ, বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী, সংসদীয় আসন-২৯৫, কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া), বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এটিএম নুরুল বশর চৌধুরী, সিনিয়র সহ-সভাপতি, জেলা বিএনপি, কক্সবাজার, এড. শামীম আরা স্বপ্না সাধারণ সম্পাদক, জেলা বিএনপি, কক্সবাজার, এড. নুরুল আলম, সহ-সভাপতি, জেলা বিএনপি, কক্সবাজার, ছৈয়দ আহমদ চৌধুরী, আহ্বায়ক, কুতুবদিয়া উপজেলা বিএনপি, জালাল আহমদ চেয়ারম্যান,সাবেক সভাপতি, কুতুবদিয়া উপজেলা বিএনপি।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জনাব সালাহউদ্দিন আহমদ আরো বলেন, "আলমগীর ফরিদ যে উন্নয়ন রোডম্যাপ দিয়েছেন, তা বাস্তবায়ন হলে মহেশখালী-কুতুবদিয়া আত্মনির্ভরশীল মহেশখালী-কুতুবদিয়া। মেগা লুটেরাদের হাত থেকে দেশ বাঁচাতে ধানের শীষের বিকল্প নেই। মহেশখালীর গণমানুষের দাবীর সাথে একাত্মতা পোষণ করে সেতুর দাবিটি সরকার গঠন করতে পারলে প্রথম বছরের কাজ শুরু করবো। শুধু সেতু নয় বন্দরে চাকরী, স্থানীয়দের অগ্রাধিকারসহ দলীয় ও কক্সবাজার-২ আসনের ইশতিহারকে বাসৃতবায়নের দায়িত্ব আমি নিয়েছি। আলমগীর ফরিদ এমপি হলে সকল দায়িত্ব আমার। লবণের ন্যায্য দাম, যোগাযোগসহ একটি পরিকল্পিত মহেশখালী গড়ে তোলা হবে।"
আলমগীর ফরিদের তার বক্তব্যে বলেন- "মহেশখালী-কক্সবাজার সেতু ও আধুনিক ফেরি সার্ভিস চালুর মাধ্যমে যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন এবং সিসি ব্লক বেড়িবাঁধ দিয়ে উপকূল রক্ষা করা। তিনি স্থানীয় মেগাপ্রকল্পগুলোতে স্থানীয়দের অগ্রাধিকারভিত্তিক কর্মসংস্থান, স্বতন্ত্র 'লবণ কমিশন' গঠন এবং মিষ্টি পান ও শুঁটকি শিল্পের আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডিং নিশ্চিত করতে চান। পাশাপাশি, উন্নত স্বাস্থ্যসেবায় নৌ-অ্যাম্বুলেন্স, চাকুরিজীবীদের জন্য দ্বীপ ভাতা এবং শিক্ষার্থীদের জন্য ডিজিটাল ল্যাব ও কারিগরি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। জলদস্যুতা নির্মূল করে জেলেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, প্রবাসীদের জন্য বিশেষ সেল গঠন এবং ভূমিহীনদের স্থায়ী আবাসনের মাধ্যমে একটি দুর্নীতিমুক্ত ও পরিকল্পিত পর্যটনবান্ধব আধুনিক জনপদ গড়ে তোলাই আমার মূল লক্ষ্য।
সভাপতির বক্তব্যে মহেশখালী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক জনাব আবু বক্কর ছিদ্দীক উপস্থিত জনতাকে ধন্যবাদ জানিয়ে আগামী নির্বাচনে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- এড. নুরুল আলম, সহ সভাপতি, জেলা বিএনপি, ডা.আব্দুল মোতালেব, সাবেক উপজেলা সভাপতি, রফিকুল ইসলাম, সহ-সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, কক্সবাজার জেলা বিএনপি, আতা উল্লাহ বোখারী, সহ-সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, কক্সবাজার জেলা বিএনপি ,রুহুল কাদের বাবুল, যুগ্ম আহাবায়ক, উপজেলা বিএনপি, কুতুবদিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি জালাল আহমেদ চৌধুরী, আহ্বায়ক ছৈয়দ আহমেদ চৌধুরী, এড.সিরাজুল হক, উপজেলা বিএনপি নেতা, উপজেলা বিএনপি, এড. হামিদ, পৌর বিএনপি নেতা, এনামুল করিম চেয়ারম্যান, যুগ্ম আহবায়ক, উপজেলা বিএনপি, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মৌলানা জহির জেলা যুবদল, মোস্তফা কামাল, সভাপতি, উপজেলা যুবদল, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রদল নেতা খোরশেদ আলম, শাহাব উদ্দিন , সভাপতি , উপজেলা শ্রমিক দল, শাহজাহান বখতিয়ার, যুগ্ম আহবায়ক, উপজেলা ছাত্রদল প্রমুখ।