
মোঃ আতাউর রহমান
বাগমারা (রাজশাহী) প্রতিনিধি:-
রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার ৭ নং বাসুপাড়া ইউনিয়নের দেউলিয়া গ্রামের দিনমজুর ভুট্ট মিঞার পরিবারে এখন শুধুই কান্নার রোল। একদিকে অর্থাভাব, অন্যদিকে স্ত্রীর গুরুতর অসুস্থতা ও এক প্রতিবন্ধী সন্তানকে নিয়ে চরম মানবিক সংকটের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে এই পরিবারটি। চিকিৎসার খরচ জোগাতে গিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়া দিনমজুর ভুট্ট এখন সমাজের বিত্তবানদের সহায়তার দিকে চেয়ে আছেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, দিনমজুর ভুট্র প্রতিদিন হাড়ভাঙা খাটুনি খেটে যা আয় করেন, তার অসুস্থ স্ত্রীর ওযুধ কিনতে চলে যায়। সংসার চালানোর পর দিনশেষে চিকিৎসার বাড়তি খরচ মেটানো তাঁর পক্ষে অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। সংসারে রয়েছে এক ছেলে ও এক মেয়ে। এর মধ্যে তাঁদের ছেলেটি শারীরিক প্রতিবন্ধী হওয়ায় পরিবারের দুঃখ ও কষ্টের মাত্রা যেন আরও কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।
সম্প্রতি ভুট্টর স্ত্রীর শারীরিক অবস্থার মারাত্মক অবনতি হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিসে ভোগার কারণে তাঁর এক পায়ে পচন ধরেছে। চিকিৎসকরা জরুরি ভিত্তিতে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে জানিয়েছেন, পচন থেকে ইনফেকশন পুরো শরীরে ছড়িয়ে পড়া রুখতে দ্রুত অস্ত্রোপচার করে পা কেটে ফেলতে হবে। কিন্তু এই অপারেশন ও পরবর্তী চিকিৎসার জন্য যে মোটা অঙ্কের অর্থের প্রয়োজন, তা এই হতদরিদ্র দিনমজুরের পক্ষে জোগাড় করা একেবারেই অসম্ভব।
নিজের এই অসহায়ত্বের কথা জানাতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন দিনমজুর ভুট্ট। তিনি বলেন,
সারাদিন কামলা দিয়ে যা পাই, তা দিয়ে চাল কিনব না স্ত্রীর ওযুধ কিনব, তাই ভেবে পাই না। এর মধ্যে ডাক্তারেরা বলছে পা কেটে বাদ দিতে হবে, না দিলে ও বাঁচবে না। কিন্তু এই অপারেশনের টাকা আমি কোথায় পাব? আমার প্রতিবন্ধী ছেলেটার মুখের দিকে তাকালে বুকটা ফেটে যায়।
এমতাবস্থায়, একটি ফুটফুটে পরিবারকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে এবং একজন অসুস্থ মায়ের চিকিৎসার সুব্যবস্থা করতে সমাজের বিত্তবান, হৃদয়বান ব্যক্তি ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর প্রতি মানবিক সাহায্যের আকুল আবেদন জানানো হয়েছে। আপনার সামান্য একটু সহযোগিতাই পারে এই অসহায় পরিবারটির মুখে হাসি ফোটাতে এবং একটি নতুন জীবনের স্বপ্ন দেখাতে।
সরাসরি আর্থিক সহায়তা পাঠানোর মাধ্যম:-
ভুক্তভোগী পরিবারের সাথে যোগাযোগ ও সরাসরি আর্থিক সাহায্য (চিকিৎসার খরচ) পাঠানোর জন্য নিচে দেওয়া ব্যক্তিগত নম্বরে যোগাযোগ করতে পারেন:
বিকাশ / নগদ (Personal): ০১৭০৮৭৭৭২৭০
আসুন, এই সংকটের মুহূর্তে যে যাঁর সামর্থ্য অনুযায়ী মানবতার হাত বাড়িয়ে দিই। আপনার সামান্য দান হয়তো বাঁচিয়ে দিতে পারে একটি প্রাণ।