
স্টাফ রিপোর্টার, জামান উদ্দিন। সাতক্ষীরা থেকে।
দেশের মধ্যে সাতক্ষীরা জেলাটি স্বাভাবিকের তুলনায় নিম্ন কাতারে জীবন যাপন করার মানুষের সংখ্যা বেশি।যে কারণবশত দিনে দিনে বিভিন্ন অপকর্ম বেড়ে চলেছে।সম্প্রতি বনবিভাগ বৈধভাবে কাঁকড়া ধরার অনুমতি দিয়েছে। বোন আইনে,কাকড়া ধরার আটল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করেছে। বিষ দিয়ে মাছ ধরা নিষিদ্ধ করেছে। খাল পাটাজাল ধরা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।অনুসন্ধানী তথ্য মতে,নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন জেলে এ প্রতিবেদককে দেখে অনেকটাই যেন চমকে ওঠেন। কারণ জানতে চাইলে নির্বাক হয়ে চেয়ে থাকেন, অভয় দিলে,সাহস জোগালে নাম পরিচয় গোপন করা হবে, এই শর্তসাপেক্ষে দুঃখ করে বলেন, আমার বাড়ি গাবুরা ইউনিয়ন ঘড়িলালে বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন থেকে বৈধভাবে পাস নিয়ে জঙ্গলে এসেছি। কাঁকড়া সাধারণত কিভাবে ধরেন প্রশ্ন করলে, তিনি বলেন লম্বা রশির সাথে খাবার বেঁধে দিয়ে, কিছুক্ষণ পর সেটা উঠালে,ওই খাবারের সঙ্গে কাঁকড়া উঠে আসে। বর্তমানে জেলের সংখ্যা এত বেশি যে, সাধারণভাবে মতো কাঁকড়া ধরা যাচ্ছে না।বাধ্য হয়ে আমরা নিরুপায় হয়ে, পরিবারের সন্তানাদির কথা ভেবে আটল ব্যবহার করি।আমার নৌকায় প্রায় ২৫-২৬টির মত অটল রয়েছে।এতে করে যথেষ্ট পরিমাণে কাকড়া আটোলে ধরা পড়ে। মুন্সিগঞ্জ নিবাসী এক জেলে বলেন, পাশ করে বনে এসেছি কিন্তু শত শত আটল ব্যবহারকারী নৌকা রয়েছে।ভিতরের প্রত্যেকটি শাখা অফিসে প্রতি গোনে (জোয়ার)পাঁচ হাজার করে টাকা দিতে হয়। তারমধ্যে কপোতাক্ষ কাঠেশ্বর কলাগাছিয়া মান্দারবাড়ি পুষ্পকাটি পাটকোস্টা দেবেকি কলাগাছি মান্দারবাড়ীয়া পুষ্পকাটি পুষ্প কাঠি পাঠকোষ্ঠা সহ অসংখ্য শাখা অফিসে নৌকা প্রতী ৫০০০ টাকা জমা দিতে হয়। না হলে আটল দিয়ে কাকড়া ধরতে পারি না ।ভয়ে এই প্রতিনিধিকে আরো বলেন, আপনি হয়তো কয়েকদিনের জন্য এসেছেন। চলে যাবেন। আমাদের সারা জীবন এই এলাকায় থাকতে হবে। নদী ও বনের উপর আমরা নির্ভরশীল। এলাকায় তেমন কোন কাজও নেই। বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন এর পক্ষ থেকে তাদেরকে সম্পন্ন অভয় দেওয়া হলে, তারা গোপন কথাগুলো দুঃখ করে বলেন। সময়ের ব্যবধানে নোবেল বিজয়ী ডঃ ইউনুস দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন সকল প্রতিষ্ঠানগুলোত অফিস আদালত সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে স্বচ্ছতা কার্যকর হতে চলেছে।তাহলে বনবিবিভাগের এহেন দুর্নীতি অপকর্মের জন্য কারা দায়ী।রেঞ্জ কর্মকর্তা এবিএম ইকবাল হাসান চৌধুরী। স্টেশন কর্মকর্তা হাবিবুল ইসলাম। কেননা তারা রেঞ্জ কার্যালয়ের কর্মকর্তা। তাদের ইঙ্গিত ছাড়া শাখা অফিসগুলো কিভাবে টাকা কালেকশন করতে পারে ।তাদের ইশারায় সুন্দরবনের ভিতরে,অভয়ারণ্য এলাকাসহ নদীতে বনে লুটতরাজ চলছে বলে জানা গেছে। কিছু চোরা কারবারি বিষ দিয়ে টাকার জন্য অসংখ্য মৎস্য ভান্ডারের ক্ষতিসাধন করে চলেছে। উদ্বোধন কর্তৃপক্ষের তদন্তপূর্বক যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জ