২৩ শে ডিসেম্বর সোমবার
খুলনা বিভাগের বিভিন্ন জেলাগুলোতে উন্নতমানের মসজিদ মাদ্রাসা এতিমখানা নির্মিত হয়েছে।সুন্দরবন অঞ্চলে বন বিভাগের সহযোগিতায় নির্মিত হয়েছে উপজেলার সর্ববৃহৎ জামে মসজিদ। হেফজখানা,মহিলা হেফজখানা,এতিমখানা, ও সহীহ শুদ্ধভাবে কোরআন শরীফ শিখতে চালু হয়েছে কেরাত বিভাগ। পূর্বক প্রকাশ, সাতক্ষীরার প্রাণকেন্দ্র শ্যামনগর। দেশের দক্ষিণবঙ্গের এই অংশে সুন্দরবনের বিশাল বিস্তৃতি রয়েছে। সাতক্ষীরা রেঞ্জ সহকারি এ জেড হাসান মাহমুদ বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন প্রতিনিধিকে জানান,১৯৮০ সালের দিকে তৎকালীন খুলনা পশ্চিম বন বিভাগের ডিভিশনাল কর্মকর্তা (ডিএফও)।এই মহান ব্যক্তির উদ্যোগ ও ধর্মভীরু মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ,
বুড়িগোয়ালিনী ফরেস্ট জামে মসজিদ।পরবর্তীতে স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণী পেশার হৃদয়বান ব্যক্তি,দূরদূরান্ত থেকে আগত ব্যক্তিবর্গের দান সহযোগিতায়, অতীতের ছোট্ট পরিসরে গড়ে ওঠা মসজিদটি, এখন মনমুগ্ধকর অপূর্ব সৌন্দর্যের প্রতীক হয়ে উঠেছে। বন বিভাগ উক্ত মসজিদের ইমাম সাহেবের সরকারি বেতন ভাতা দিয়ে থাকে। খতিব আলহাজ্ব রেজাউল করিম সাহেব বলেন এক সময় এখানে আমার থাকা খাওয়ার জায়গাটুকু ছিল না নিজের চেষ্টায় একটি হেফজ খানা সহ এলাকাবাসীর সহযোগিতায় বন বিভাগের সহযোগিতায় কয়েকটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হচ্ছে আলহামদুলিল্লাহ ।সার্বিক সহযোগিতা তদারকি ও ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ছোট মসজিদ আজ সম্প্রসারিত হয়েছে।পাশাপাশি কয়েকটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। প্রত্যেক বছর হাফেজ বিদায়ী ছাত্রদের পাগড়ী প্রদান অনুষ্ঠান, ও তাফসীরুল কোরআন মাহফিল এর আয়োজন করা হয়। মেধাবীদের জন্য রয়েছে বৃত্তি, বিশেষ বৃত্তি ব্যবস্থা। সুন্দরবন উপকূলে এমন অপূর্ব মনোমুগ্ধকর সৌন্দর্যমন্ডিত মসজিদ যে কোন মুসলমানের হৃদয়ে সে যেতে পারে।