
ইদ্রিস আলী,
পাঁচবিবি উপজেলা প্রতিনিধিঃ
জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে সাবেক বিএনপি নেতারা এক সংবাদ সম্মেলন করেছেন। ৩০ মার্চ, রবিবার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ নওশাদ আলী এবং বালিঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক সাইদুর রহমান।
সংবাদ সম্মেলনে তারা অভিযোগ করেন যে, গত শুক্রবার রাতে শিখা ট্রাস্টের আয়োজনে অনুষ্ঠিত ইফতার মাহফিলের প্যান্ডেল ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ঈর্ষান্বিত হয়ে সোহেল নামের এক ব্যক্তি বিএনপির সভাপতি ও সাবেক জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক জনপ্রিয় নেতা শামীম হোসেন মণ্ডলসহ কয়েকজন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা করেছেন। তারা এই মামলাকে ষড়যন্ত্রমূলক উল্লেখ করে অবিলম্বে তা প্রত্যাহারের দাবি জানান।
সাবেক বিএনপি নেতারা আরও বলেন, রাত পোহালেই ঈদ, তাই কোনো বিএনপি নেতাকর্মী যেন হয়রানির শিকার না হন, প্রশাসনের প্রতি সেই আহ্বান জানান তারা। এছাড়াও, তারা বলেন, প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে, তবে নিরপরাধ কেউ যেন হয়রানির শিকার না হন, সেদিকে প্রশাসনকে নজর দিতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা অভিযোগ করেন, শিখা ট্রাস্টের কর্ণধার সাবেকুন্নাহার শিখা জয়পুরহাটে একটি হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি হলেও তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে না। তারা প্রশ্ন তোলেন, আওয়ামী লীগের অনেক নেতাই বিভিন্ন মামলায় কারাগারে থাকলেও পুলিশ কেন শিখার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে না। পাশাপাশি, তারা শিখার আয়ের উৎস নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।
এ বিষয়ে জয়পুরহাট জেলার পুলিশ সুপার আব্দুল ওয়াহাব সাংবাদিকদের জানান, "ইফতার মাহফিল যেকোনো মুসলমান আয়োজক করতে পারেন, তবে সেটি ভাঙচুর করা বা বাধা দেওয়া কাম্য নয়। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে এবং তদন্ত প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"