
ইদ্রিস আলী, পাঁচবিবি (উপজেলা) প্রতিনিধি
জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে লিজকৃত পুকুরে জোরপুর্বক মাছ ধরার অভিযোগ উঠেছে পাঁচবিবি পৌরসভার উপজেলাধীন দমদমা সীতা গ্রামে মোঃ মাহমুদুন্নবী মিশুর (পিতা মোঃ মাতুবুল) এর পুকুর থেকে মাছ ধরে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সূত্রে জানাগেছে পাঁচবিবি উপজেলার পৌরসভার দমদমা গ্ৰামে লিজকৃত পুকুর রয়েছে।
ঐ পুকুর থেকে একই গ্রামের প্রতিবেশী ১। মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর মণ্ডল (৫০)পিতা মৃত্যু তৈয়ব আলী মন্ডল ২। মোসাম্মৎ ছামেনা বেগম স্বামী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর মন্ডল ৩। মোঃ রাকিব মোহাম্মদ ৪। রিফাত উভয় পিতা জাহাঙ্গীর মণ্ডল রাশেদ পিতা মৃত ভদ সবাই পাঁচবিবি পৌরসভার দমদমা সেতা গ্রামের বাসিন্দা।
মোঃ মিশু দীর্ঘদিন ধরে সীতা গ্রামের দুই একর জমি পুকুর লিজ নিয়ে মাছ চাষাবাদ করে আসতেছিল। ৫-৬ মাস ধরে পুকুরে যে মাছ ধরে সেই মাছ উধাও হয়ে যায়। গোপনে কে বা কাহারা সেই পুকুরের মাছ চুরি করে।
অভিযুক্ত আসামিরা ঐ পুকুরে দীর্ঘদিন ধরে কৌশলে মাছ শিকার করে আসছে। তাহার ধারাবাহিকতায় আজকে দুপুর ২:৩০ মিনিটে পূর্ব-পরিকল্পিত ভাবে মাছ চুরি করে।
মোঃ মিশু তাদের দেখতে পেয়ে ধাওয়া করলে, সকলেই দৌড় দিয়ে পালিয়ে যায়। কিন্তু মিশু একজনার পিছনে দৌড় দেয়, এমন তো অবস্থায় ৪ নং আসামিকে মালঞ্চা রাস্তার মধ্যে ধরতে সক্ষম হয়।
এসময় অন্যান্যে বিবাদীগন লোহার রড, রামদা, বাশের লাঠি, রড দিয়ে এলোপ্যাথারী মারপিট শুরু করে। তিন নম্বর বিবাদীর হাতে থাকা বাঁশের লাঠি দ্বারা হত্যার উদ্দেশ্যে আঘাত করলে, তাৎক্ষণিক সে মাথা নিচু করলে তো আঘাত বাদে নাকের উপর লাগিয়া গুরুতর রক্তাক্ত জখম হয়। এ সময় রাস্তার পাশে থাকা লোকজন আমাকে তাদের হাত থেকে রক্ষা করে।
এবং বিবাদীগণ আমাকে একাকী পাইলে রাতের আধারে প্রাণে মারিয়া ফেলিবে বলে এমন ভয় ভীতি ও হুমকি প্রদান করেন। উপস্থিত লোকজন তাৎক্ষণিক আমাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নিয়ে যায় চিকিৎসা করার জন্য।
অপরদিকে বিবাদীগণের একজন বলেন আমার স্বামী এবং আমার দুই ছেলের নামে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেছে এই মিশু। সম্পূর্ণ ঘটনাটি মিথ্যে এবং বানোয়াট।
অভিযোগের ভিত্তিতে পাঁচবিবি থানার ওসি কাউছার রহমান এর নিকট জানতে চাইলে, তিনি বলেন, মাছ চুরি ও মারপিট এর অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে অপরাধিকে আইনের আওতায় আনা হবে।