
ইদ্রিস আলী,
(পাঁচবিবি প্রতিনিধিঃ)
জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার বিনধারা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের বিভিন্ন ফান্ড থেকে প্রায় ৭৪ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে প্রধান শিক্ষক মোঃ দেলোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে। বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেছেন বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির অভিভাবক সদস্য মোঃ আগা চৌধুরী।
অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, প্রধান শিক্ষক দেলোয়ার হোসেন ও প্রাক্তন সভাপতি ও স্থানীয় আওয়ামীলীগের নেতা মোঃ রফিকুল আলম চৌধুরীর যোগসাজসে বিদ্যালয়ের ৫টি পুকুর থেকে ৬০ লক্ষ টাকা, পুরাতন ভবনের ইট, টিন, বাঁশ, কাঁঠ ও দরজা জানালাসহ অন্যান্য সামগ্রী থেকে ৮ লক্ষ টাকা, স্কুলের গাছ বিক্রির ২ লক্ষ টাকা, বিদ্যালয়ের ১টি পুরাতন বাস বিক্রির ৪ লক্ষ টাকাসহ প্রায় ৭৪ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। এছাড়া বিদ্যালয়ের যথেষ্ট আয় থাকা সত্বেও পুকুরগুলোর প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা রাজস্ব বকেয়া রেখেছেন। অর্থ আত্মসাতের পাশাপাশি বিদ্যালয় পরিচালনায় সর্বোচ্চ দূর্নীতি ও চরম অনিয়ম করে বিদ্যালয়ের নিয়ম শৃংখলা অবনতির অভিযোগ আছে এই প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এসব অনিয়মের বিষয়ে স্বীকার করে একটি স্বীকারোক্তি পত্রে স্বাক্ষরও করেছন প্রধান শিক্ষক।
অপরদিকে প্রধান শিক্ষক মোঃ দেলোয়ার হোসেনকে অন্যায়ভাবে হেনোস্থা ও জোরপূর্বক পদত্যাগ করনের বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও বিদ্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত সভাপতি আরিফা সুলতানার নিকট একটি লিখিত অভিযোগও করেছেন প্রধান শিক্ষক।
প্রধান শিক্ষক মোঃ দেলোয়ার হোসেন বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে, দূর্নীতির অভিযোগ করেছেন তা সত্যি নয়। এলাকার কিছু দূস্কৃতিকারী আমার প্রতিষ্ঠানে এসে একটি বিশঙ্খলা করার চেষ্টা্ করছে। তারা আমার অফিস কক্ষে এসো আমাকে অতর্কিতভাবে গালিগালাজ, হেনোস্থার মাধ্যমে জোরপূর্বক ক্যাস বহি, রেজুলেশন বইসহ অন্যান্য কাগজপত্র ছিনিয়ে নেওয়ার পর তাদের লিখিত পদত্যাগপত্রে আমাকে স্বাক্ষর করতে বাধ্য করে এবং আগামী বিদ্যালয়ে না আসার জন হুমকিও দেন।
পাঁচবিবি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও বিদ্যালয়টির দায়িত্বপ্রাপ্ত সভাপতি আরিফা সুলতানা বলেন, এঘটনায় পাঁচ সদস্যর একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্তকারী কর্মকর্তা আমার কাছে এখনো তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয় নাই। প্রতিবেদন হাতে পেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।