
বেবি চক্রবর্তী :- হুগলী, শুধু ইচ্ছা থাকলেই বড় বড় অপরাধের কিনারা করা যায় তা আবারও প্রমাণ করলো হুগলি জেলার তারকেশ্বর থানার পুলিশ। গত ১৩ ই জুলাই ২০২৪ তারকেশ্বর থানায় এক নাবালিকা নিখোঁজের অভিযোগ জমা পড়ে সেই কেসের সূত্র ধরেই তারকেশ্বর থানার আধিকারিকেরা সন্ধান করে ফেললো এক আন্তর রাজ্য নারী পাচারকারী একটি দলের এবং হাতেনাতে গ্রেপ্তারও করল তিনজন অপরাধীকে এবং উদ্ধার করেন নিখোঁজ নাবালিকাকে। এই সাফল্য পেতে পুলিশকে বেশ বেক পেতে হয়েছিল কিন্তু তারকেশ্বর থানা কোনভাবেই এই কেসের হাল ছেড়ে দেয়নি। হুগলি জেলার এক উচ্চ পদস্থ কর্তা কামনাশীষ সেন সাংবাদিক বৈঠকে এই রমহর্ষক ঘটনার কথা জানান। তিনি বলেন এই পাচার চক্রটি মেয়েদের প্রেমের ফাঁদে কিংবা ভালো কোন কাজের টোপ দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে তাদের পাচার করে দিত। নন্দক কিশোর কুমার যিনি বিহার রাজ্যের ইস্ট চম্পারন এর বাসিন্দা ইনি যে মূল চক্রে পুলিশের তদন্তকারী আধিকারিকেরা মনে করছেন উক্ত ব্যক্তিকে নদীয়ার কৃষ্ণনগর থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ এছাড়াও বাকি দুইজন হল রাহুল রায় ওরফে মিজানুর মন্ডল ও শ্রীরাম রয়। এরা নেপালের বিভিন্ন অরকেসটার গ্রুপের সঙ্গে যুক্ত ছিল এবং বর্তমানে তারা নেপালিই থাকতো। পুলিশ এও জানতে পেরেছে যে অভিযুক্ত রাহুল সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন ফেক আইডি বানিয়ে মহিলাদের সঙ্গে আলাপ জমিয়ে বিভিন্ন ধরনের প্রলোভন দেখাতো এবং সুযোগ বুঝে পাচারও করে দিত। অভিযুক্তদের চন্দননগর দায়রা আদালতে তোলা হলে অভিযুক্তদের সাত দিন পুলিশই হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত। এই পাচার চক্রের সঙ্গে আরো কেউ জড়িত আছে কিনা তার তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ।