মো: সফিকুল ইসলাম নাহিদ, নবীগঞ্জ
নবীগঞ্জ উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে, জানা যায় নবীগঞ্জ উপজেলা ভেটেরিনারি হাসপাতালে বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে গরু ছাগল হাস মুরগী সহ বিভিন্ন পশু চিকিৎসা করাতে আসেন অত্র এলাকার মানুষ, সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রায় সময় অন উপস্থিত থাকার কারণে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয় সাধারণ মানুষের।এদিকে এই বিষয় কারোর কোনো গুরুত্ব নেই।হাসপাতালে গবাদি পশু চিকিৎসা করাতে গেলে প্রায় সময় অন অভিজ্ঞ লোক দিয়ে কাজ চালিয়ে দেন সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক এবং হাসপাতালে পর্যাপ্ত ঔষুধ থাকলে বঞ্চিত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। এদিকে এই বিষয় নিয়ে নবীগঞ্জ উপজেলা জোরে বইছে আলোচনা সমালোচনা কোন প্রভু কে খুশি করতে ভেটেরিনারি হাসপাতালের চিকিৎসক হাতে ধরিয়ে দেন একটা কাগজ সেখানে লিখে দেন তার ইচ্ছামত ঔষুধ, এ যেনো প্রভু সেবা। এ বিষয় সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় পশু হাসপাতালে অসংখ্য ঔষুধ কোম্পানির মটর সাইকেল, আর হাসপাতালের ভিতরে চলছে মজ মস্তি,এদিকে পশু হাসপাতালের পাশেই আছে আরেকটা গবাদি পশুর ঔষুদের দোকান, আর প্রতিটি গবাদি পশুর মালিক কে দেখিয়েন দেন সেই দোকান, এই বিষয় নিয়ে কয়েকজন গবাদি পশুর মালিকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, মোটা অংকের কমিশনের আশায় হাসপাতালে ঔষুধ থাকলে তারা বাহির থেকে ঔষুধ কিনে নিতে বলে,এই বিষয় নিয়ে হাসপাতালের উপসহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মিজানুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে গিয়ে দেখা যায় আজও সে অন উপস্থিত এবং মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে মিজানুর রহমান জানান সে ছুটিতে আছে ও হাসপাতালে পর্যাপ্ত গবাদিপশুর আছে। তাহলে কেন সাধারণ মানুষ কে এভাবে হয়রানি ও তাদের অর্থনৈতিক নষ্ট করা হচ্ছে, আর কাকে কে সেবা দিচ্ছে চিকিৎসক, পশু কে, না মানুষ রুপি পশুকে।।