
তাসলিমা রত্না ময়মনসিংহ
ময়মনসিংহ ত্রিশালে গত এক বছরে ত্রিশালবাসীর মনে জায়গা করে নিয়েছেন সাবরেজিস্টার মোঃ জাহিদুল হক, তিনি গত ১৫ নভেম্বর ২৩ ইং তে ত্রিশাল সাবরেজিস্টার হিসেবে যোগদান করেই সরকারের সবচেয়ে স্পর্শকাতর সেবাস্থান সাবরেজিস্টার হিসেবে ত্রিশাল আসেন এবং কঠোর হুশিয়ারি উচ্চারন করেন সাবরেজিস্টার অফিসের দূর্নীতিগ্রস্থ কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে--।
এমন উচ্চারন শুনে অনেক কর্মচারী এবং কিছু সুবিধাভোগী দলিল লেখক উঠে পড়ে লাগেন সাবরেজিস্টার জাহিদুলের পিছনে-- বিভিন্ন অজুহাতে মিথ্যা ভিত্তিহীন গুজব ছড়িয়ে বেড়ান অপকর্ম কারীর দল-। এদের মধ্যে সাবেক দলিল লেখক মোঃ দুলাল উদ্দীন সরকার গং৷ দু্নীতির দায়ে বহিস্কার হওয়া দলিল লেখক দুলাল একজন ফ্যাষিষ্ট সরকারে দোষর হিসেবে দীর্ঘ ০৯ ( নয়) বছর যাবৎ বিনা নির্বাচনে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত থেকে সাধারন দলিল লেখক দের জিম্মি করে অর্থনৈতিক ও মানষিক চাপে রেখেছিলেন। এবং ত্রিশাল সাবরেজিস্টার অফিসের জিরো থেকে কোটিপতি হওয়া এক নকল নবিস মোঃ মাসুদূর রহমানের যোগসাজসে একজন সৎ ও নিষ্টাবান- ব্যাক্তিত্বের অধিকারী , নিঃস্বার্থ সেবাদানকারী অফিসারের বিরুদ্ধে কুৎসা রটনা করে চলেছেন একের পর এক-। সরেজমিনে খোজ নিয়ে জানা যায়- উক্ত মাসুদের বিরুদ্ধে দূর্নীতির মামলায় জেলখাটা আসামী তিনি, যা এখনও তদন্তানাধীন, দুদুক ময়মনসিংহ ইউনিট দ্বারা তদন্ত চলছে। মটবাড়ী ইউনিয়নের বৃদ্ধ কৃষক - জুলহাস- উদ্দীন তিনি জমি রেজিস্ট্রাি করতে আগে যে ভোগান্তি পেতে হতো, এই স্যার আসার পরে আমাদের বারতি কোনো টাকা লাগে নাই-- খুব সহজ উপায়ে আমি জমি বিক্রী করে সেই টাকায় মেয়ের বিয়ে দিয়েছি। বালিপাড়ার ব্যাবসায়ী মোজ্জাফফর হোসেন --- প্রতিবেদক কে জানান আমি আগে জমি রেজিষ্টি করতে একলাখ টাকার বেশী খরচ দিয়েছি ৪৫ শতাংশ জমিতে-- আর এবার অতিরিক্ত কোনো টাকা লাগে নাই-।এ ব্যাপারে ত্রিশাল সাবরেজিস্টার অফিসের দলিল লেখক সমিতির সভাপতি মোঃরফিকুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক মোঃ জিয়াউর রহমান জানান, ত্রিশালের সাবরেজিস্টার জাহিদুল ইসলাম একজন সৎ ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল একজন ভালো মানের সরকারি কর্মকর্তা এবং জননিবেদিত মানুষ।
ইহাতে প্রতিয়মান হয় যে বর্তমান সাবরেজিস্টার একজন সৎ ও ভালো মানের কর্তব্যপরায়ন ব্যাক্তি।
সাবরেজিস্টার মোঃ জাহিদুল হক এই প্রতিবেদক কে জানান, আমি একবছর আগে এই সাবরেজিষ্ট্রি অফিসে যোগদান করি-- প্রতিমাসে ১০০০( এক হজার) এর অধিক দলিল সম্পাদন হয়, আগে কি হয়েছে আমি জানি না - তবে আমি এসে সকলকে এ ব্যাপারে হুশিয়ারী উচ্চারন করে বলেছি, যে কেউ দূর্নীতির সাথে জড়িত হলে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না, এমনি হুশিয়ারীর পর গত মাসে একজন দলিল লেখক কে দূর্নীতির অভিযোগ প্রমানিত হওয়ায় তাকে বহিস্কার করা হয়। এমতবস্থায় অফিসের এক কর্মচারীর সাথে হাত মিলিয়ে তথাকথিত পত্রিকায় আমার নামে কুৎসা এবং মিথ্যা ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে হেয় করার জন্য তাড়া বিভ্রান্তি মুলক কথাবার্তা ছড়ান। আমি এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। এবং এখন আমি দৃঢতার সহিত বলি, যে সকল কর্মচারি/ দলিল লেখক আছেন -- সৎ ও নিষ্টার সহিত দায়িত্ব পালন করুন - ইনশাআল্লাহ ভালো থাকবেন-- আমি কোনো অন্যায় করি না অন্যকে সেই সুযোগ দিবো না--।