
সাইদুল বাসার সাতক্ষীরা প্রতিনিধিঃ
সাতক্ষীরা ও খুলনার সীমান্ত এলাকা থেকে গরুর মাংস বলে ঘোড়ার মাংস বিক্রির সঙ্গে জড়িত চক্রের মূল হোতাকে আটক করা হয়েছে। শনিবার দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের (মোবাইল কোর্ট) মাধ্যমে তাকে তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
এর আগে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সাতক্ষীরার তালা উপজেলা ও খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার সীমান্তবর্তী ১৮ মাইল এলাকায় অভিযান চালায় এসআরবি-৬ সিপিসি-১ সাতক্ষীরার একটি আভিযানিক দল। অভিযান পরিচালনাকালে ওই স্থান থেকে তিনটি জবাই করা ঘোড়ার মাংস ও মাথা উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে একটি জীবিত ঘোড়া জব্দ করা হয়।
দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম আনিছুর রহমান পলাশ (৪০)। তিনি এ প্রতারক চক্রের মূল হোতা বলে জানিয়েছে এসআরবি।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে এসআরবি-৬, সিপিসি-১-এর কোম্পানি কমান্ডার জাইন উদ্দিন মোহাম্মদ যিয়াদ বলেন, আমাদের কাছে তথ্য ছিল যে তালা সীমান্ত ও ডুমুরিয়া সংলগ্ন এলাকায় একটি চক্র বিভিন্ন জায়গা থেকে ঘোড়া নিয়ে এসে জবাই করছিল। পরবর্তীতে সেই মাংস গরুর মাংস হিসেবে বিভিন্ন হোটেল ও রেস্তোরাঁয় বিক্রি করা হচ্ছিল। এই খবরের ভিত্তিতে নজরদারি বাড়ানো হয় এবং শুক্রবার রাত থেকে ধারাবাহিক অভিযান শুরু করা হয়।
তিনি আরও জানান, “অভিযানের সময় তিনটি জবাই করা ঘোড়ার মাংস এবং জীবিত একটি ঘোড়াসহ চক্রের মূল হোতা আনিসুর রহমান পলাশকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হই।
অভিযান শেষে শনিবার দুপুর ১টার দিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত আটক আনিছুর রহমান পলাশকে তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
উদ্ধার করা জীবিত ঘোড়াটিকে নিরাপদ হেফাজতে সুরক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে।