৩০শে এপ্রিল বুধবার ২০২৫ সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলায়
গত ২৯ এ এপ্রিল দৈনিক মাতৃভূমির কথা ও দৈনিক খবর সবরকম পত্রিকা ও ৩০ই এপ্রিল দৈনিক প্রতিদিনের কণ্ঠস্বর পত্রিকায়,সরকারি খাস,জায়গা আত্মসাতে বাধা দিলে আক্রমণ ও ছিনতাই,শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়।
যে প্রতিবেদনটি সম্পূর্ণ জনস্বার্থমূলক।ঘটনাটি সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী
নীলডুমুর টুঙ্গীপাড়া মহল্লা এলাকায়।
তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়,
এই মহল্লায় শতাধিক পরিবারের বসবাস।তাদের ছেলেমেয়ে এই পথ দিয়ে স্কুলে যাওয়া আসা করে থাকে।বয়স্করাও চলাফেরা করে।
স্থানীয় এলাকাবাসী রাস্তার পাশে সামান্য জায়গা, রাস্তার কাজে ব্যবহৃত হবে এরকম মনে করলেও প্রতিপক্ষ মিজানুর বাহিনী গায়ের জোরে সরকারি জায়গাটি নিজের আয়ত্তে নিয়ে, নেট জাল দিয়ে ঘিরে রেখেছি। সম্প্রতি পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হলে, বিকালে আকস্মিক ঢাকা হতে কে প্রতিবেদকের নিকটএকটি ফোন আসে।তিনি যথেষ্ট ভয় ভীতি হুমকি দিতে থাকেন।উত্তরে বলা হলো,ঘটনার পর হতে আপনাদের কাউকে পাওয়া যায়নি। মুঠোফোনে চেষ্টা করেও যোগাযোগ সম্ভব হয়নি।এজন্য হয়তো সত্য জানিনা।দয়া করে আপনি সত্য সঠিক তথ্য দিয়ে গণমাধ্যমকে সহযোগিতা করুন
।এরপর থেকে তাকে আর ফোনে পাওয়া যাচ্ছে না। অতীতের দুটি পত্রিকায় মাননীয় ইউ এন ও মহোদয়ের নিরপেক্ষ তদন্ত পূর্বক আইনত ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য দাবি জানিয়েছিল এলাকাবাসী। সমাজের জঞ্জাল দূর করতে সত্যকে সত্য মিথ্যা বললেই হতে হয় হলুদ সাংবাদিক। হুমকি দেয়া হয়। ধারণকৃত ছবিটিতে মিজানুর নিজের পুকুরের পাড় ছাড়া বাকি অবশিষ্ট জায়গাটি পথ হিসেবে ব্যবহার করে এলাকাবাসী।
মিজানুর ঢালী রাস্তাটির গায়ে নেট দিয়ে নিজের সীমানায় নিয়েছে।ছে দেশের স্বার্থে মনে করানো প্রয়োজন,কিছুদিন পূর্বে তার পুকুর থেকে সুন্দরবনের অবৈধ পশুর গরান সহবিভিন্ন চোরাই কার্ড উদ্ধার করে স্থানীয় বন বিভাগের সহযোগী সংগঠন সিপিজি ক্রাইম পেট্রোল টিমের সদস্যরা।
সুন্দরবনের মূল্যবান বৃক্ষ সম্পদ চুরি আত্মসাৎ করতে করতে এখন আধিপত্য বিস্তার করা নিমিত্তে সরকারি জায়গা চালাচ্ছে।স্থানীয় অনেকেই তান্ডব ও ভাঙচুরের কথা স্বীকার করেছেন।৬-৭ জনের সন্ত্রাসী বাহিনী চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নজরুল ইসলামের বড় ভাইয়ের বাড়িতে তান্ডব চালায়,ভাঙচুর করে।বাড়িওয়ালা আব্দুর রহিম মোল্লার ছেলে যথাসাধ্য ধৈর্য ও কৌশলের সাথে বিষয়টি সাময়িক থামাতে মীমাংসা করে দেন।
পরবর্তীতে গণমাধ্যম কর্মীকে নানারকম হুমকি দেয়া হচ্ছে।যার অডিও কল রেকর্ড রয়েছে। বর্তমান চেয়ারম্যানের বোন ও ভাবিকে লজ্জাজনকভাবে অপমান করেছে।
গোপন সূত্র মতে,গভীর অনুসন্ধানের পর আসল সত্য সামনে এসেছে।
৬-৭ জনের একটি দল বাদ বিতান্ডার একপর্যায়ে ভাঙচুর করতে, করতে বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করে। বাড়ির মালিক আব্দুর রহিম মোল্লার সাথে কথা বললে তিনি জানান, ২৮ এপ্রিল প্রায় বারোটার দিকে হঠাৎই আমার বাড়িতে প্রবেশ করে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে,ধাক্কাধাক্কি করে,একপর্যায়ে আমার বৌমার গলায় থাকা আট আনা ওজনের স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেয়।
কাঠের আলমারিতে থাকা নগর পঞ্চাশ হাজার টাকা ও গচ্ছিত রুলি চুরি করে আত্মসাৎ করে। সময় অনুযায়ী যার বাজার মূল্য রয়েছে প্রায় সাড়ে চার থেকে পাঁচ লক্ষ টাকা। স্থানীয় অনেকেই এই তান্ডবের সাক্ষী। নিরপেক্ষ তদন্ত পূর্বক, ভুক্তভোগীরা তাদের পাওনা স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা ফিরে পেতে পারে এবং অবহেলিত রাস্তাটি সংস্কারের জন্য মাননীয় উপজেলা ইউ এন ও মহোদয়ের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার
।শ্যামনগর উপজেলার টুঙ্গিপাড়া মহল্লার মানুষগুলো বিশেষ করে,বর্ষার দিনে চরম কষ্টে চলাফেরা করে থাকে। এমন অবস্থায় চলাচলের রাস্তার পাশে অবশিষ্ট খাস জায়গা দখলের পাঁয়তারা করছে,
মৃত গোলাপ ঢালীর পুত্র মিজানুর বাহিনীর।সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়,দীর্ঘদিন ধরে মিজানুর বাহিনী সরকারি খাস জায়গা দখল করতে, এলাকাবাসীর সঙ্গে অনেকবার হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে।সম্প্রতি পুনরায় জায়গাটি দখল নিতে গেলে, মহল্লা বাসীর পক্ষে মরহুম আলহাজ্ব জনাব আলী মোল্লার বড় পুত্র বর্তমান ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের বড় ভাই, রহিম মোল্লা তার সহধর্মিনী রহিমা বেগম ও ছেলের বৌমা ও জার্নালিস্ট এম মনিরুল ইসলামের মাতা সমন্বিতভাবে রাস্তায় ব্যবহৃত হবে,এরকম বিভিন্ন বুজ দেয়ার চেষ্টা করত,মিজানুর ঢালি গং
হাফিজুর পিতা মৃত লিয়াকত ঢালী, সিরাজুল,আরশাদ পিতা মৃত গোলাপ ঢালী।
গডফাদার মিজানুর ঢালির বড় ছেলে বাপ্পি সহ এই সন্ত্রাসী বাহিনী অতর্কিত হামলা চালায়। মহিলাদের শ্রীলতাহানির এবং ঘৃণ্য অপচেষ্টা চালায়। দলবদ্ধ বাহিনী নগদ টাকা স্বর্ণালংকার ছিনতাই করে পালিয়ে যায়।এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এলাকাবাসী ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করে চলেছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।।।