সঞ্জয় চন্দ্র দাস, তিতাস (কুমিল্লা)
কুমিল্লার তিতাসে গোমতীর কবলে পড়ে গত ১৫ দিনে নারান্দিয়া পূর্ব ও পশ্চিম পাড়ের ৬০টি পরিবারের বসতভিটা বিলিন হয়ে গেছে। এদের অধিকাংশ পরিবার অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছে। ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের স্রোতে বসতবাড়িসহ একাধিক কবরস্থান বিলিন হয়ে গেছে। হুমকির মুখে রয়েছে একাধিক মসজিদ, মাদ্রাসা ও প্রাথমিক বিদ্যালয়। সরেজমিনে গতকাল সোমবার নারান্দিয়া ঘুরে দেখা যায়, উপজেলার নারান্দিয়া ইউনিয়নের নারান্দিয়া গ্রামের মাঝখান দিয়ে গোমতী নদী
প্রবাহিত হয়েছে। দুটি পাড়ে বিভক্ত নারান্দিয়া পূর্ব ও পশ্চিমপাড়ে প্রায় সাড়ে চার শতাধিক পরিবারের বসবাস। এসব পরিবারের মধ্যে গোমতী নদীর পাড়ঘেষা পরিবারগুলোর এখনো নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে। বিশেষ করে পশ্চিমপাড়ের উত্তরপাড়া, মধ্যপাড়া ও সরকার বাড়ি। পূর্বপাড়ের ভূঁইয়া বাড়ি, নয়াপাড়া, সরকার বাড়ি ও বালুরচর বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের অনেকে আশেপাশের আত্মী ও জনপ্রতিনিধিদের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, নারান্দিয়া পশ্চিমপাড়ের উত্তরপাড়ার আ. ছালাম একই গ্রামের আক্তার হোসেনের বাড়িতে, আলী আহমেদের বাড়িতে মো. বিল্লাল হোসেন, আবুল বাশার তার বড় বোনের বাড়িতে, শিপন