২৩ শে ডিসেম্বর সোমবার
খুলনা পশ্চিমবন বিভাগের অন্যতম সাতক্ষীরা রেঞ্জের প্রধান কার্যালয়। বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে জোরালো ভূমিকা অব্যাহত রেখেছে।সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা গেছে,শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন প্রধান রেঞ্জ কার্যালয়। অতীতের প্রধান কার্যালয় ও স্টেশন কার্যালয় নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে।পরবর্তীতে ভাঙ্গনের বিপরীতে প্রায় এক যুগ পূর্বে, নতুন রূপে গড়ে উঠেছে সাতক্ষীরা রেঞ্জ প্রধান কার্যালয়। স্বল্প পরিসরে হাজারো বনজীবী, জেলে বাওয়ালিদের নিয়মিত সেবা দিয়ে চলেছে।পাশাপাশি বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা বজায় রাখতে,বনবিভাগের গৌরব ধরে রাখতে-মুন্সিগঞ্জ থেকে
বুড়িগোয়ালিনী কপোতাক্ষ নদের চরঘেঁষে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি চলমান রয়েছে। চারিপাশে বেষ্টনী দেয়া হয়েছে।ছাগল অথবা অন্যান্য প্রাণী যেন নষ্ট করে না ফেলে। দেখভালের জন্য রয়েছে কিছু ভলেন্টিয়ার। বনায়নকৃত অংশটি পরিবেষ্টিত রয়েছে। প্রধান কার্যালয়ের অধীনস্থ স্টেশন কর্মকর্তা, জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন প্রতিনিধিকে বলেন, বন বিভাগের উন্নয়নমুখর কর্মকান্ড আমরা তৎপর দায়িত্ব পালন করছি। যার অংশ হিসেবে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সহ কয়েকটি প্রকল্প হাতে নিয়েছি সর্বোপরি জনগণের সেবায় নিয়োজিত রয়েছি। বন বিভাগের সহযোগী সংগঠন (সিপিজি ক্রাইম পেট্রোল টিম) এর সদস্যরা নিয়মিত তদারকি করে চলেছেন।ছোট চারা অথবা বেষ্টনীর কারণে বীজ থেকেও বৃক্ষরোপণ,সবুজ বনায়ন। ভবিষ্যতে এটি ম্যানগ্রোভ সুন্দরবনের অংশ হিসেবে পরিচিত লাভ করবে।প্রধান কার্যালয়ের অধীনে অনেকগুলো কর্মকাণ্ড সম্পন্ন হতে চলেছে। সুন্দরবনের জীব বৈচিত্র রক্ষণাবেক্ষণ,কুচক্রী চোরাকারবারি রুখতে বনবিভাগ ও সিপিজি,সিএমসি সদস্যরা বিরামহীন দায়িত্ব পালন করছেন। বৃক্ষরোপণ সরকারি এবং বেসরকারি সংস্থাগুলো সারাদেশে কম বেশি ভূমিকা রাখতে সক্ষম হয়েছে। গাছ লাগান দেশ বাঁচান"এই স্লোগানকে সামনে রেখে এগিয়ে যাবে আগামীর বাংলাদেশ। উপজেলার সুধীমহল উক্ত কার্যক্রম কে প্রশংসার সাথে সাধুবাদ জানিয়েছেন। বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সম্পর্কিত বিস্তারিত জানতে সাতক্ষীরা রেঞ্জ সহকারি এ জেড হাসানুর রহমানের সাথে মুঠোফোনে, যোগাযোগ করতে চাইলে সম্ভব হয়নি।