
এ কে এম বাদরুল আলম-
সিনিয়র রিপোর্টার, চাঁপাইনবাবগঞ্জ:
কোটি টাকার মাটি নিয়ে দু'পক্ষের দাবি, তবে প্রকৃত মালিক দাবি করা আদালতের তিনবার রায় পেলেও ক্ষমতার জোর খাটিয়ে প্রভাবশালীদের জিম্মিতে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের ৫নং ওয়ার্ডের হরিপুর মিয়া পাড়া এলাকায় প্রায় ১ কোটি মূল্যের যায়গা জমি নিয়ে আদালতে ৩০ বছর থেকে চলা মামলাতে তিনবার রায় লাভ করেছেন, নানা নানী কর্তৃক সম্পত্তি সূত্রে পাওয়া অংশীদাররা।
তবে স্বৈরাচার সরকার অনশনকারী আওয়ামী লীগের কিছু ক্যাডারের সংস্পর্শে একটি চক্র আইনকে উপেক্ষা করে রায় পাওয়া প্রকৃত মালিকদের জমিতে নামতে দিচ্ছেন না। বরণ রেখেছেন তাদের জিম্মিতে বলে অভিযোগ উঠেছে। রায় পাওয়া মামলাতে করেছেন আবার রিভিউ।
জমি জবর দখলে নেওয়া আওয়ামী লীগের সংস্পর্শে ক্ষমতাসিলরা হলেন ওই এলাকার মৃত সাইদুর মাস্টার ওরফে খোকামিয়ার ছেলে, মোঃ সুমন আলী, মৃত সোনামিয়ার ছেলে, মোঃ বাবলু মিয়াসহ আরও কয় একজন। এদের বিরুদ্ধে এ জমির জাল দলিল করে ক্ষমতার জোর খাটিয়ে ভোগ করার অভিযোগ তুলে ভুক্তভোগীরা।
তবে দীর্ঘত্রিশ বছর ধরে চলমান মামলায় তিনবার রায় পেয়েও জমি বুঝ পায়নি প্রকৃত মালিকারা। জমি ফিরিয়ে পাওয়ার আসায় জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার কার্যালয়, সেনাবাহিনী ক্যাম্প, সদর মডেল থানাসহ, বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দেন জমির এক অংশীদার মোঃ সফিকুল ইসলাম।
উল্লেখ করা এসব অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর, মৌজা-হরিপুর, জে,এল নং, মধ্যে সি, এস, খতিয়ান নং-২১৪ ও সি,এস খতিয়ান নং-৪৪৫, সি,এস দাগ নং-২৭০,২৭৫, জমির পরিমাণ: ২০ ও ০৩ একর। সফিকুল ইসলাম অভিযোগে দাবি করে এই জমির মালিক ছিলো আমার নানী। নানী মারা যাওয়া পরে এর অংশীদার আমরা কিন্তু, আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী সুমন আলীসহ কিছু অর্থশীল ব্যক্তিরা তাদের জিম্মিতে রেখে ভোগ করে আসছে।
বিভিন্ন প্রশাসনিক দপ্তরে অভিযোগে দাবি জানান, জমির দলিল দেখে তদন্ত সাপেক্ষে বৈধভাবে যদি জমিটির মালিক তারা হন। তাহলে তাদের জমি বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ জানান ভুক্তভোগীরা।
এ বিষয়ে জমি জবরদখলের অভিযোগ উঠা, সুমন আলী ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হননি। তবে মুঠোফোনে জমির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, "আমি এবিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে যাচ্ছি না আদালতে মামলা চলছে আইন যা করে দিবে তা আমরা মেনে নিব"
এবিষয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস এম জাকারিয়ার কাছে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা অভিযোগটি পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।