মোঃ রুহুল আমিন,কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি।
কুড়িগ্রাম-৩ (উলিপুর) সংসদীয় আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিলকে কেন্দ্র করে ব্যাপক হট্টগোলের সৃষ্টি হয়েছে।
পরে সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। জানা গেছে, গত ২ জানুয়ারি ২০২৬ কুড়িগ্রাম-৩ আসনের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই অনুষ্ঠিত হয়। ওইদিন দুপুরে কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মাহবুবুর রহমান সালেহীর প্রার্থিতা স্থগিত ঘোষণা করেন। একইসঙ্গে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল খালেকের স্বতন্ত্র প্রার্থিতাও বাতিল করা হয়।
পরবর্তীতে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মাহবুবুর রহমান সালেহীর প্রার্থিতা স্থগিতাদেশের সুরাহার লক্ষ্যে আজ শনিবার (৪ জানুয়ারি) দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে একটি শুনানির আয়োজন করা হয়।
এতে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা আলমগীর হোসেনসহ জেলা নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। শুনানি শেষে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ মাহবুবুর রহমান সালেহীর প্রার্থিতা চূড়ান্তভাবে বাতিল ঘোষণা করেন। প্রার্থিতা বাতিলের ঘোষণা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সেখানে উপস্থিত জামায়াত নেতাকর্মী ও সমর্থকদের সঙ্গে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হলে সেনাবাহিনী হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি শান্ত করে।
এ বিষয়ে জেলা জামায়াতের আমীর আজিজুর রহমান স্বপন বলেন- কুড়িগ্রাম-৩ আসনের জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী মাহবুবুর রহমান সালেহীর প্রার্থিতা স্থগিতের সুরাহার জন্য আজ দুপুর দুইটায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আমাদের ডাকা হয়েছিল। কিন্তু আমাদের বক্তব্য না শুনেই পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করে তার প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে। আমাদের সংগঠন মনে করে, জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ তার নিরপেক্ষতা হারিয়েছেন।