৪ টা জানুয়ারি শনিবার সাতক্ষীরা
এমন এক সময় ছিলো যখোন শীত এলেই সাতক্ষীরা বাসীর ঘরে ঘরে তৈরি হতো খেজুরের রসের বা গুড়ের পিঠা, পায়েস। কিন্তু কালের বিবর্তনে হারিয়ে যেতে বসেছে খেজুরের গাছ।
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বেশ কয়েকটি গ্রামে সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, এক সময় গ্রামাঞ্চলের রাস্তার দুই পাশে এবং ফসলি জমির পাশে দেখা মিলত খেজুর গাছ। শীত এলেই রস সংগ্রহের জন্য খেজুর গাছ প্রস্তুত নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করতেন গাছিরা।
প্রস্তুত হওয়া শেষে বিকেল হলেই খেজুর গাছে মাটির তৈরি হাঁড়ি ঝুলিয়ে দিতেন তারা। ভোর হলেই গাছ থেকে হাঁড়ি নামিয়ে রস সংগ্রহ করতেন। আর টাটকা রস দিয়ে পিঠা ও পায়েস বানাতে গাছের কাছেই ভিড় জমাতেন ক্রেতারা। কিন্তু কালের বিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে সেই দৃশ্য এখন আর দেখা যায় না। স্থানীয়দের দাবি ফসলি জমির ওপর নতুন নতুন ঘরবাড়ি গড়ে ওঠার কারণে খেজুর গাছ কেটে ফেলা হয়েছে।
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার এক গাছি মো. আব্দুস ছবুর তাঁর সাক্ষাৎকারে চ্যানেল বগুড়া কে বলেন, তিনি প্রাই ২০ বৎসর যাবত খেজুরের গাছ থেকে রস সংগ্রহ করে আসছেন। খেজুরের রস সংগ্রহ কমে যাওয়ার কারন সম্পর্কে যানতে চাই তিনি বলেন, আগের মত গাছ না থাকার কারনে গাছিরা তাদের আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে এবং নতুন করে এ কাজ শিখতে কেউ আগ্রহী হচ্ছে না। ফলে খেজুরের রসের উৎপাদন কমছে আর বাজারে চাহিদা বেড়েই চলেছে। বর্তমানে প্রতি ভাড় খেজুরের রস ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।