স্টাফ রিপোর্টার মোঃ জামাল উদ্দীন
সাতক্ষীরা শ্যামনগর। পল্লীতে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে কেন্দ্র করে, আলোচনা সমালোচনার ঝড় উঠেছে। সুধী মহল ও শিক্ষক সমাজে তুমুল হইচই শোনা যাচ্ছে। কথায় আছে, সময় সবকিছুর সঠিক জবাব দেয়।গেল সপ্তাহে, শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের ১২২ নম্বর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন ও তদন্ত কার্যক্রম অনুষ্ঠানে বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী,এলাকার সুধী ব্যক্তিবর্গ ইউপি সদস্য সহ সকল শ্রেণী পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।উক্ত তদন্ত চলাকালে বাদী আব্দুল্লাহ আল মামুন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দেলোয়ার হোসাইন লিটনের বিরুদ্ধে ১২ টি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। গণমাধ্যম কর্মী সহ সুধীজনতা দাখিলকৃত পেপারসগুলোর সত্যতা যাচাই করার সুযোগ পাননি।তদন্ত কর্মকর্তাবৃন্দ প্রধান শিক্ষককে উপযুক্ত কারণ দর্শানোর নির্দেশ দিলেন। যা কিনা সামান্য সময় সাপেক্ষ। আলোচনা সমালোচনা যুক্তি তর্ক সকল প্রমাণাদির
তথ্যাবলি আগত তদন্ত কর্মকর্তা বৃন্দ,যাচাই-বাছাই সাপেক্ষে সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানা যায়। কয়েক দিনের ব্যবধানে গভীর অনুসন্ধানে,কিছু খুড়তে কেউটে বেরিয়ে এসেছে। সাধারণত আমরা বুঝি, বাদী নির্যাতনের শিকার,নিরপরাধ। যিনি বিবাদী তিনি একরকম আসামি,অপরাধী কিন্তু এখানে বিষয়টা এমন ঘটেছে,নিজের অপকর্ম আত্মসাৎ কৃত কোটি টাকার সম্পদ আড়াল করতে, উদোর পিন্ডি বুদুর ঘাড়ে চাপানোর অপচেষ্টা করার নিমিত্তে,নানান পায়তারা ও ষড়যন্ত্র করে চলেছে। বাদীর দুর্নীতি এক চলমান একটি বেসরকারি ফাউন্ডেশন এর দেশি-বিদেশি দাতা গোষ্ঠীর লক্ষ্য কোটি টাকা নিম্নবিত্তদের সুবিধা দেয়ার আশ্বাসে নিজেই আত্মসাৎ করেছেন একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যখন জাতীয়করণ হয় তখন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বাউন্ডারির মধ্যে সরকারি এবং বেসরকারি সংস্থার সহযোগিতা সকল কিছুই সরকারের আওতায় চলে আসে তিনি এলাকাবাসীর পানির ফিল্টার ও সরঞ্জামাদি সহ গুরুত্বপূর্ণ প্রায় ২৫ লক্ষ টাকার মালামাল তার বাহিনী দিয়ে ভয় দেখিয়ে ডাকাতি করেছে আত্মসাৎ করেছি করেছে দুর্নীতি নম্বর ৩ স্কুলের নামে তার মরহুম পিতা শেখানোর আগে হাত ধরুন যে জায়গাটি দান করেছিলেন তার ১৬ শত স্কুলের নামে রেকর্ডীয় সম্পত্তি তাকে দিতে হবে আবদার জোর জবরদস্তি অব্যাহত রেখেছে দুর্নীতি নাম্বার চায় স্কুল বাউন্ডারির ভেতর দিয়ে জনসাধারণের নাম ভাঙিয়ে তিনটি চলাচলের রাস্তা নিয়ে এত বিরোধ ষড়যন্ত্র কারণ প্রধান শিক্ষক একই মহল্লার মানুষ এবং এলাকাবাসী ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক থাকার দরুন তিনি সকল অনৈতিক কর্মকান্ডে বাধা প্রদান করেন যার ফলশ্রুতিতে তিনি হলেন প্রধান আসামি তার বিরুদ্ধে তৈরি করা হয়েছে বারটি ভুয়া পেপারস এই মামুন বাহিনী টাকার বিনিময়ে কিছু ভাড়াটিয়া ও তার নিজস্ব বাহিনী দিয়ে হেডমাস্টারকে তাড়ানোর জন্য উঠে পড়ে লেগেছে যত সম্ভব ওর রহস্য উদঘাটনে এই সত্য সামনে এসেছে। তদন্ত কর্মকর্তা বৃন্দের সিদ্ধান্ত গ্রহণের নিমিত্তে চূড়ান্ত মতামত প্রকাশ করা হবে। উল্লেখ্য, স্বৈরাচার হাসিনা সরকারের শাসনামলে উপজেলা চেয়ারম্যান,এমপি মহোদয়ের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তোলে। রাজনৈতিক শক্তি ব্যবহার করে এলাকায় সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে এসেছে।