
আব্দুর রাজ্জাক বাবু, সিরাজগঞ্জ:
সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানার হাটিকুমরুলের আবাসিক হোটেলগুলোতে চলছে রীতিমত দেহব্যবসা। স্থানীয় হোটেল বানিজ্যকে ঘিরে গড়ে ওঠা এই দেহ ব্যবসার কারণে সহযোগী ব্যবসায় হিসাবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে মাদক ব্যবসায়।
স্থানীয়দের অভিযোগ,
দীর্ঘদিন ধরে ময়না মতি, নিরিবিল, দোয়েল ও নিউ মারসিটি আবাসিক হোটেলের নামে চলে রমরমা দেহ ব্যবসা । আর এই দেহব্যবসায়ীদের প্রত্যক্ষ পরোক্ষ ভাবে মদদ দিয়ে আসছেন একই পরিবারের জেলহক, জাহাঙ্গীর ও বাবু নামের তিন ভাই ।
স্থানীয় ভাবে এরা প্রভাবশালী হওয়ার কারণে অসহায় নারীদের দিয়ে বাধ্য করে দেহব্যবসা করে থাকেন এরা।
এমনকি এদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্কুল কলেজের ছাত্রীদেরকেও ব্লাক মেইল করে তাদের দিয়ে দেহ ব্যবসা করা বাধ্য করে থাকেন বলেও এদের বিরুদ্ধে অভিযোগও রয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একজন বলেন, রমজান মাসেও এরা প্রকাশ্যে দিনে-দুপুরে এমন গর্হিত কাজ করছেন তা কি স্থানীয় প্রশাসন জানে না, অবশ্যই জানেন এবং নিয়মিত মাসোয়ারা দিয়ে নির্বীঘ্নে এরা অনৈতিক কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছে, এসময় তিনি স্থানীয় প্রশাসনের কাছে আবাসিক হোটেলগুলো বন্ধের দাবিও জানান।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কিছু দিন আগে যুবক যুবতি হাটিকুমরুলের এক আবাসিক হোটেলে অনৈতিক কর্মকান্ড করার সময় ভিডিও করে পরে সেই ভিডিও সোসাল মিডিয়ায় ছেড়ে দিলে তা সাথে সাথে ভাইরাল হয় সে বিষয়ে সলঙ্গা থানায় মামলা হয়েছিলো তার পরও থেমে নেই আবাসিক হোটেল দেহ ব্যবসা।
বিভিন্ন সূত্রের তথ্যের মাধ্যমে জানা যায় অনৈতিক কার্যকলাপের পাশাপাশি মাদক কেনা-বেচাসহ নিয়মিত সেবন হয় সেই সাথে হোটেল গুলোর ভিতরে চলে মাদক ও দেহ ব্যবসার রমরমা আয়োজন।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, এদের প্রতিহত করবে যারা প্রশাসনের লোকজনই এখানে নিয়মিত আসেন-বসেন, আমোদ-ফূর্তি করেন, যাওয়ার সময় পকেট ভাড়ি করে নিয়ে যান মাসোয়ারা।
এর অন্যতম হোতা জাহাঙ্গীর এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন হ্যা দোয়োল হোটেল আমার, আবাসিক হোটেলে মেয়ে না রাখলে হোটেল চলবে না তাই মেয়ে রাখতে হয় কম বেশি তবে রোজার মাস হিসাবে একটু ব্যবসা কম চলছে ঈদের পরে ভালো চলবে?
এবিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রায়গঞ্জ সার্কেল মোঃ সাইফুল ইসলাম বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে পদক্ষেপ নেয়া হবে।