
বেবি চক্রবর্ত্তী :- শনিবার দুপুরে আরজি কর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে যখন গণকনভেনশন চলছে তখন জুনিয়র চিকিৎসকদের পাল্টা সংগঠনের আত্মপ্রকাশ হল।
শনিবার দুপুরে সাংবাদিক বৈঠকে জুনিয়র চিকিৎসকদের নয়া সংগঠনের আহ্বায়ক শ্রীশ চক্রবর্তী আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করেন। তিনি দাবি করেছেন " আমাদের বিরুদ্ধে হওয়া অন্যায় ঘটে চলেছে। আমাদের মানসিক, শারীরিক ক্ষতি হয়েছে। গত ৯ই আগস্ট খুবই খারাপ ঘটনা ঘটে। কিছু লোক রাজনৈতিক স্বার্থপরতায় কর্ম বিরতির দিকে এগিয়ে যায়। আমরা বলি আমরা প্রতিবাদ জানাবো। আমরাই প্রথম আন্দোলন শুরু করেছিলাম। আমরা বলেছিলাম, রোগী পরিষেবাই আমাদের লক্ষ্য আমাদের বয়কট করা হয়। বলা হয় আমরা নাকি থ্রেট কালচার চালাই। একটি তদন্ত কমিটি বসে। আমাদের কথা শুনলো না। আমাদের কলেজে ঢোকা বন্ধ করে দেওয়া হয় "। এমনকি তিনি আরো অভিযোগ করে বলেছেন " আমাদের ক্রিমিনাল বলা হয়। অথচ অভয়া দিদির নামে ৪.৭৫ লক্ষ টাকা তোলা হয়েছে। রিয়া বেরার নামে টাকা তুলছে। তারা কি নটোরিয়াস ক্রিমিনাল নন! আমাদের ক্যারিয়ার শেষ করার জন্য লেগে পড়ে। আমরা সব মেডিকেল কলেজের সকলকে আমন্ত্রণ জানাই। আপনারা আসুন। সবাইকে আহ্বান জানাই। ঘোষণা করছি ওয়েস্ট বেঙ্গল জুনিয়র ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন সবার জন্য আছে। বাধা দেওয়া হলে আছি। থ্রেট কালচার না টেরর কালচার বলছি। আমাদের টেরর বলা হয়েছে "।
আরজিকর কাণ্ডে সত্যটা এখনো অধরা। রাজ্য প্রশাসন ছেড কালচারের পক্ষ নিতে চাইছে বলে অভিযোগ করেছেন আন্দোলনকারী জুনিয়র চিকিৎসক অনিকেত মাহাতো। পাশাপাশি জুনিয়র চিকিৎসক দেবাশীষ বলেন " যারা শুধু আরজিকর নয় শাসকদলের ছাত্র ছায়ায় থেকে থ্রেট সিন্ডিকেট গুলি চালায়। ভুঁইফোর কিছু সংগঠন এরা থ্রেট কালচারকে সমর্থন করে। এরা নতুন একটি সংগঠন করে সাংবাদিক বৈঠক করছেন। এরা এতদিন তুমি কেন? তারা আজকে নতুন সংগঠন তৈরি করে প্রেস মিট করছে। আমরা আন্দোলন আরও তীব্রভাবে চালানোর চেষ্টা করছি। আর তারা ভাবছে আন্দোলন গতি হারিয়েছে। আমাদের এই আন্দোলন এতটাই জোরদার করতে হবে যাতে থ্রেট কালচার মাথা তুলতে না পারে। সুদীপ ঘোষ আশিস পান্ডের মত লোকরা না থাকতো অভয়া ঘটতো না"।