
সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:
সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও বর্তমান জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মতিয়ার রহমান ও সলঙ্গা থানা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি কে এম আফিকুর রহমান (আনজির)এর মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাটি ঘটেছে সলঙ্গা বাজারের ডিম হাটা গলির চৌরাস্তা মোড়ে । বিএনপির গুরুত্বপুর্ণ পদে থাকা এই দুই নেতার হাতাহাতি ঘটনায় এলাকায় আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
জানা যায় গত মঙ্গলবার (১৭ জুন) সকাল সারে ৮ টার দিকে সলঙ্গা বাজার ডিম হাটা নামক গলির চৌরাস্তায় দুই নেতার স্বাভাবিক কথপকথনের এক পর্যায়ে জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মতিয়ার রহমান সলঙ্গা থানা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতিকে ধাক্কা দিলে দুজনের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়,এসময় আশে পাশের লোকজন তাদের দুজনকে সরিয়ে দেয়। তবে দুজনের কেউ আহত হয়নি বলে জানা যায়।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ঘটনার আশে পাশের দোকানদাররা বলেন, ওই দুই বিএনপির নেতা স্বাভাবিক কথা বলার মাঝে হঠাৎ হাতাহাতি শুরু হয়, তবে বড় ধরনের কিছু হওয়ার আগেই আমরা তাদের সরিয়ে দেই, কি বিষয়ে নিয়ে তাদের মধ্যে হাতাহাতি হয়েছে, এটা আমরা জানি না।
এ বিষয়ে সলঙ্গা থানা বিএনপি সাবেক সভাপতি ও বর্তমান জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মতিয়ার রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তেমন কিছু হয়নি তবে আমি একজন প্রবীন মানুষ আর সলঙ্গা থানা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি আনজির তরুন তার সাথে একটু ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে,আমরা বসে ঠিক করে নেব।
তবে সলঙ্গা থানা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি কে, এম আফিকুর রহমান ( আনজির) বলেন, আমার প্রতিষ্ঠানের কর্মচারি ব্যবসার আর্থিক বিষয় নিয়ে ঝামেলা হয়, তার কাছে হিসেব চাইলে না দিতে পারলে, তখন বিএনপির সিরাজগঞ্জ জেলা সহ-সভাপতি মতিয়ার রহমান সলঙ্গা থানা আওয়ামিলীগের সভাপতি রায়হান গফুরসহ বেশ কিছু নেতাদের সমন্নয়ে কর্মচারীর পক্ষ নিয়ে আমার ব্যবসার টাকা ফেরত দেওয়ার সালিশ বৈঠক করে ১২ লক্ষ টাকা ফেরত দেওয়ার কথা হয়, ১০ লক্ষ টাকা নগদ প্রদান করে ২ লক্ষ টাকা পরে দেওয়ার সময় নেয়। ২০২৪ সালের সালিশ বৈঠক হয়,প্রায় এক বছর অতিবাহিত হলেও বাদবাকি টাকা না দেওয়ায় এ বিষয়ে মতিয়ার রহমানের কাছে জানতে চাইলে কথার জবাব না দিয়ে হঠাৎ আমাকে ধাক্কা দেয় তখন আমিও তাকে ধাক্কা দেই এর মধ্যে আশে পাশের লোকজন এসে আমাদে ওখান থেকে সরিয়ে দেয়।
বিএনপির দুই নেতার হাতাহাতি বিষয়ে জানতে সলঙ্গা থানা বিএনপির আরেক সহ-সভাপতি শহিদুল ইসলাম (মজনু) বলেন, বিষয়টা জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মতিয়ার রহমান আমাকে জানিয়েছে,তবে আমার জানা মতে অনেক আগেই লেনদেনের বিষয়টা মিমাংসা হয়ে গেছে,এখন আবার কেন এটা নিয়ে হাতাহাতি হলো আমরা থানা বিএনপি বসে বিষয়টা জেনে সমাধান করার চেস্টা করবো।