1. admin@bangladeshkhabarpratidin.com : admin :
রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের স্থায়ী ক্যাম্পাসের নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদন না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে অবস্থান। - বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেন মির্জা ফয়সল আমীন ​দেবহাটায় জামায়াতের কর্মী ও সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত: সৎ নেতৃত্বের মাধ্যমেই ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠন সম্ভব। দিরাই জারুলিয়া গ্রামে ১৪টি বসতঘর ও আসবাবপত্র পুড়ে ছাই,আনুমানিক ৪/৫ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি বেলকুচিতে প্রশাসনের অভিযানের পরও থামছে না ডাইং কারখানার দূষণ নারীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে মিনি ম্যারাথন প্রতিযোগিতা আয়োজনের লক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে আট দফা দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবে শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যজোটের সংবাদ সম্মেলন পাঁচবিবিতে ভারতীয় সিরাপ ও ইয়াবাসহ আটক ৩ পাঁচবিবিতে উচ্চতা ৪ ফুট তবু থেমে নেই জীবনযুদ্ধ ১৬ বছর ধরে পরিশ্রমে সংসার চালান আল-আমিন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কলকলিয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলহাজ্ব মুহিত মিয়ার নির্বাচনী মতবিনিময় সভা  সাতক্ষীরায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের স্থায়ী ক্যাম্পাসের নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদন না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে অবস্থান।

মোঃ জাকারিয়া হোসেন,এম,এস-সি, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি:
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৫
  • ২০২ বার পঠিত

 

মোঃ জাকারিয়া হোসেন,এম,এস-সি, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি:

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ২০১৬ সালে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলায় রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম শুরু হয় ২০১৮ সালে। প্রতিষ্ঠার ৯ বছর পেরিয়ে গেলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের জন্য সরকার একটি টাকাও বরাদ্দ দেয়নি। পূর্বের সরকারের সময়ে আমরা দেখেছি, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের পরে প্রতিষ্ঠিত হলেও কোনো কোনো বিশ্ববিদ্যালয় নিজস্ব ক্যাম্পাস নির্মাণের জন্য অর্থ বরাদ্দ পেয়েছে।

বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার ছাত্র-জনতার রক্তাক্ত গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আগত সরকার। স্বাভাবিকভাবেই আমরা আশান্বিত হয়েছি, বিপুল সংখ্যক ছাত্রের প্রাণের বিনিময়ে যে সরকারে এলো, তারা রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সীমাহীন ‍দুর্ভোগ নিরসনে কালক্ষেপণ করবে না।  কিন্তু আমরা অত্যন্ত ব্যথিত, হতাশ এবং ক্ষুব্ধ।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের তৎকালীন জমিদারির অন্তর্গত খাস জমিতেই রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মিত হওয়ার কথা। ভূমি অধিগ্রহণের ঝামেলা এবং পরিবেশের কোনোরূপ ক্ষতি ছাড়াই সেখানে নান্দনিক একটি ক্যাম্পাস নির্মাণ করা সম্ভব। বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার ৮ বছর অতিক্রান্ত হলেও এর স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণে কোনো অর্থই বরাদ্দ দেওয়া হয়নি।

পরপর সাতবার ডিপিপি সংশোধন করে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বর্তমান সরকারের ব্যয় সংকোচন নীতিকে বিবেচনায় রেখে সর্বশেষ ৫১৯.১৫ কোটি টাকার ডিপিপি উপস্থাপন করে, যা পরিকল্পনা বিভাগে গত ৭ মে অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় আলোচিত হয়।

একনেক সভায় সভাপতি হিসেবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নামাঙ্কিত বিশ্ববিদ্যালয়টি কেবল স্থাপনের কথাই বলেননি, কবিগুরুর নামের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শনপূর্বক গুণগত মানোন্নয়নের মাধ্যমে এই বিশ্ববিদ্যালয়টি যেন আন্তর্জাতিক মানের একটি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে স্থাপিত হয় সে ব্যাপারে গুরুত্বারোপ করেছেন।

একনেক সভায় প্রায় সবাই রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের জন্য ঐকমত্যে পৌঁছালেও পরিবেশ, বন ও জলবায়ু মন্ত্রণালয় এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান প্রস্তাবিত ক্যাম্পাসে এসে সরেজমিনে দেখতে চাইলেন। গত ১৬ জুন তিনি শাহজাদপুরের বুড়ি পোতাজিয়ায় গিয়ে ক্যাম্পাসের স্থান দেখে গেলেন; প্রতিবেদন জমা দিলেন। উক্ত প্রতিবেদনে তিনি কী লিখলেন, আমরা তা জানি না।

প্রধান উপদেষ্টার ইতিবাচক মনোভাব ও উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের পরিদর্শনের পর একাধিক একনেক সভা অনুষ্ঠিত হলেও রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণ প্রকল্পটি এজেন্ডাভুক্ত না হওয়া দুরভিসন্ধিমূলক কি না তা নিয়ে আশঙ্কার যথেষ্ট অবকাশ রয়েছে। কেন বা কী কারণে এমনটি হচ্ছে, তার কোনো ব্যাখ্যাও সরকার আমাদেরকে জানায়নি। এটি কেবল রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রতি উপেক্ষা নয়, এটি বাংলাদেশের বিপ্লবী ছাত্রসমাজের স্বার্থের প্রতি অবজ্ঞা।

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসমাজ আজ চূড়ান্তরূপে হতাশ। শ্রেণিকক্ষের সংকট, আবাসন সংকট, নিরাপত্তাহীনতাসহ ক্যাম্পাসহীনতার নানাবিধ অসুবিধার কারণে শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক শিক্ষাকার্যক্রমে অংশগ্রহণ করা, দক্ষ জনসম্পদ হয়ে ওঠা মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদেরও ক্যাম্পাসহীনতার দুর্ভোগের সঙ্গে লড়াই করে কাজ করতে হচ্ছে।

কিন্তু এভাবে একটি বিশ্ববিদ্যালয় বিশেষ করে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় চলতে পারে না। আজ আমাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। স্থায়ী ক্যাম্পাসের দাবিতে এবার আমরা রাজপথেই থাকবো। যতক্ষণ না রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসের প্রকল্প অনুমোদন হয়, আমরা রাজপথেই অবস্থান করব। আমাদের আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর হবে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park