1. admin@bangladeshkhabarpratidin.com : admin :
বেলকুচিতে ১০ কেজি চাল বরাদ্দ থাকলেও পাচ্ছেন সবোর্চ্চ ৮ কেজি  - বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:২০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নারী পুরুষ সমান অধিকার না-কি বৈষম্য বিভেদ আর অশান্তির আস্তা কুড়ে ঘর। চারঘাটে সরকারি সেবাদানকারী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সংলাপ অনুষ্ঠিত ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেন মির্জা ফয়সল আমীন ​দেবহাটায় জামায়াতের কর্মী ও সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত: সৎ নেতৃত্বের মাধ্যমেই ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠন সম্ভব। দিরাই জারুলিয়া গ্রামে ১৪টি বসতঘর ও আসবাবপত্র পুড়ে ছাই,আনুমানিক ৪/৫ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি বেলকুচিতে প্রশাসনের অভিযানের পরও থামছে না ডাইং কারখানার দূষণ নারীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে মিনি ম্যারাথন প্রতিযোগিতা আয়োজনের লক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে আট দফা দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবে শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যজোটের সংবাদ সম্মেলন পাঁচবিবিতে ভারতীয় সিরাপ ও ইয়াবাসহ আটক ৩ পাঁচবিবিতে উচ্চতা ৪ ফুট তবু থেমে নেই জীবনযুদ্ধ ১৬ বছর ধরে পরিশ্রমে সংসার চালান আল-আমিন

বেলকুচিতে ১০ কেজি চাল বরাদ্দ থাকলেও পাচ্ছেন সবোর্চ্চ ৮ কেজি 

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬
  • ৮৫ বার পঠিত

সিরাজগঞ্জের বেলকুচি পৌরসভায় (ভিজিএফ) কর্মসূচির চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী প্রতি ভিজিএফ কার্ড ধারী ১০ কেজি চাল পাওয়ার কথা থাকলেও অনেক ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষকে দেওয়া হচ্ছে মাত্র ৮ কেজি চাল। ওজনে কম দেওয়ায় সাধারণ মানুষের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।

শনিবার সকালে বেলকুচি পৌরসভায় চাল বিতরণের সময় সরেজমিনে গিয়ে এ অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া যায়। উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, পৌরসভায় ৪ হাজার ৬০০ জনকে ১০ কেজি ভিজিএফ কার্ড দেওয়া হয়েছে।  

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী ১০ কেজি দেওয়ার কথা বলা হলেও বাস্তবে ওজন করলে দেখা যায় ৮ কেজি। ডিজিটাল স্কেলে করে মেপে দেওয়ার কথা থাকলেও তা না করে বালতিতে করে কোনো রকম দায়সারাভাবে চাল দেওয়া হচ্ছে কার্ডধারীদের। 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানান, চাল বন্টনে পৌরসভার প্রশাসনিক কর্মকর্তা আমিনুজ্জামান দায়িত্বে আছে। সে তার ইচ্ছে মত বাইরে থেকে লোক নিয়ে এসে ৮ কেজি করে কার্ডধারীদের চাল বিতরণ করেছেন। এখানে আমাদের কোন ভূমিকা ছিলো না। 

একাধিক কার্ডধারী বলেন, আমাদের বলা হয় ১০ কেজি চাল দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু মেপে দেখা গেছে দুই কেজি কম। আমরা গরিব মানুষ যা দেবে তাই নিতে হবে। আমরা তো আর কথা বলতে পারি না। 

ভুক্তভোগী এক বৃদ্ধা আক্ষেপ করে বলেন, বাবা সরকার তো ১০ কেজি দিছে। আমাগো কেন ৮ কেজি করে দেয়? হেরা কি আমাগো পেটের ভাতও কাইড়া নেবে।

এ বিষয়ে পৌরসভার প্রশাসনিক কর্মকর্তা আমিনুজ্জামান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন নিয়ম মেনেই আমরা চাল বিতরণ করেছি। মাপে কোন রকম কম দেইনি। এ বিষয়ে পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা লুৎফর রহমান এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park