
সুমন চন্দ্র দে, কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি:
কক্সবাজার রিজিয়নের আওতাধীন রামু সেক্টরের অধীনস্থ উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সদা জাগ্রত অতন্দ্র প্রহরী হয়ে সীমান্ত নিরাপত্তায় বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের বাংলাদেশ-মায়ানমার সীমান্তে অত্যন্ত দক্ষতা ও সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছে।
এরই ধারাবাহিকতায় ০৪ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) আনুমানিক ৭ টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পালংখালী বিওপি’র একটি বিশেষ টহল দল বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আনজুমান পাড়া বালুখালী খালের পাড় সংলগ্ন স্থানে অবস্থান করে। এ সময় একজন ব্যক্তি আন্জুমান পাড়া হতে মালামাল নিয়ে বালুখালী খাল দিয়ে পানিতে ভাসিয়ে ইউরিয়া সার ও সয়াবিন তৈল মায়ানমারে পাচারের সময় বিজিবি সদস্যরা তাকে চ্যালেঞ্জ করে। পরবর্তীতে বিজিবি সদস্যদের উপস্থিতি টের পেরে চোরাকারবারী মালামাল ফেলে রেখে পালিয়ে যাওয়ার প্রাক্কালে সাইফুল ইসলাম (২৭), পিতা: সব্বির আহম্মেদ, মাতা-মৃত জুলেখা বেগম, গ্রাম- হাজী পাড়া, ডাকঘর-ঝিলংজা, থানা- কক্সবাজার সদর ও জেলাঃ কক্সবাজারকে আটক করে। উক্ত স্থানে তল্লাশি চালিয়ে এ সার এবং তেল উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।
উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) এর দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকা দিয়ে যাতে তৈল, সার ও অন্যান্য বাংলাদেশী মালামাল পাচার হয়ে মায়ানমারে যেতে না পারে সেজন্য নিয়মিত চোরাচালানী অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এছাড়াও, চোরাকারবারীদেরকে চিহ্নিত করতঃ তাদেরকে জনসচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি স্থানীয় জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে চোরাচালানী কাজে নিরুসাহিত করা হচ্ছে। মায়ানমারে যাতে তৈল, সার ও অন্যান্য মালামাল পাচার হতে না পারে এ ব্যাপারে এলাকাবাসী ও সমাজের সকল শ্রেণী পেশার মানুষ যেন সহযোগিতা করে তার জন্য ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক উদাত্ত আহবান জানান।
তিনি আরও জানান, “বিজিবি শুধু সীমান্ত পাহারায় নয়, মাদক ও চোরাচালান এবং সার পাচার প্রতিরোধেও সব সময় কঠোর অবস্থান নিয়ে কাজ করছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।